
শেষ আপডেট: 12 June 2024 08:16
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কোনও পড়ুয়া হয়তো পড়াশোনায় ভালো, কিন্তু তেমন বন্ধু নেই। আবার রেজাল্ট খুব একটা ভালো না করলেও হয়তো ক্লাসের মনিটর, নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে। আর এই ধরনের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যই এবার রেজাল্টে উল্লেখ করা হবে। অর্থাৎ শুধু বিষয়ভিত্তিক প্রাপ্ত নম্বর নয়, এবার সরকারি স্কুলের রিপোর্ট কার্ডে থাকবে প্রত্যেক পড়ুয়ার চারিত্রিক গুণাবলি।
যে কোনও রিপোর্ট দেখলে কার্ড শুধু পঠনপাঠনের নয়, পড়ুয়ার মানসিক অবস্থা, শেখার ক্ষমতা সবই বুঝে নেওয়া যাবে। এতদিন বেসরকারি বহু স্কুলেই এই ধরনের রিপোর্ট কার্ড চালু ছিল। এবার সরকারি ক্ষেত্রেও চালু হচ্ছে ‘হোলিস্টিক রিপোর্ট কার্ড’।
সার্বিকভাবে এই ধরনের রিপোর্ট কার্ড বেশ বিজ্ঞানসম্মত বলে মনে করছেন শিক্ষকরা। কোনও পড়ুয়ার আগ্রহের ক্ষেত্র, ব্যতিক্রমী দক্ষতা, মনোভাব, উদ্বেগের জায়গা, কোনও বিশেষ বিষয় শেখার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা, আত্মসচেতনতা, যোগাযোগের দক্ষতা সহ বিভিন্ন বিষয় মূল্যায়ন করে তা রিপোর্ট কার্ডে লেখা থাকবে। একইসঙ্গে এক্সট্রা কারিক্যুলার অ্যাক্টিভিটি, সৃজনশীলতার দিকটিও মূল্যায়ন করা হবে।
শুধু তাই নয়, এবার থেকে প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত একটি রিপোর্ট কার্ডেই থাকবে পড়ুয়াদের মার্কশিট। প্রতিটি ক্লাসে পড়ুয়াদের কেমন মূল্যায়ন হচ্ছে, সব নথিভুক্ত থাকবে হলিস্টিক রিপোর্ট কার্ডে। মঙ্গলবার স্কুল শিক্ষা দফতর থেকে এই মর্মে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতির কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
পর্ষদ সূত্রের খবর, আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকেই এই ধরনের রিপোর্ট কার্ড চালু করতে চাইছে রাজ্য সরকার। সেই মতো ইতিমধ্যে পর্ষদকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পর্ষদের অধীনে থাকা স্কুলগুলিকে প্রত্যেক পড়ুয়ার মার্কশিট হিসেবে নতুন হলিস্টিক রিপোর্ট কার্ড নথিভুক্ত করতে হবে।