কমিশন সূত্রে খবর, সোম ও মঙ্গলবার— এই দুই দিনব্যাপী বৈঠকে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (CEO) ছাড়াও সমস্ত জেলার জেলা নির্বাচন আধিকারিক (DEO), পুলিশ সুপার (SP), পুলিশ কমিশনার (CP), এবং ডিজি-কে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।

জ্ঞানেশ ভারতী।
শেষ আপডেট: 1 March 2026 19:14
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Assembly Election 2026) দিন ঘোষণার প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্বের দিকে এগিয়ে চলেছে। নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি পর্যালোচনা করতে দিল্লি থেকে ভার্চুয়াল মাধ্যমে বিশেষ বৈঠক করতে চলেছে ভারতের নির্বাচন কমিশন (Elecion Commission of India)। সোমবার ডেপুটি ইলেকশন কমিশনার জ্ঞানেশ ভারতীর নেতৃত্বে কমিশনের শীর্ষ আধিকারিকরা এই বৈঠকে বসবেন।
সোমবারের বৈঠকে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (CEO) ছাড়াও সমস্ত জেলার জেলা নির্বাচন আধিকারিক (DEO), পুলিশ সুপার (SP), পুলিশ কমিশনার (CP), এবং ডিজি-কে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।
বৈঠকের মূলসূচি ও আলোচ্য বিষয়
কমিশন সূত্রে খবর, সোমবার ভোট প্রস্তুতির বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে। পাশাপাশি এনফোর্সমেন্ট এজেন্সিগুলির (যেমন—আয়কর বিভাগ, নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো) প্রধান বা নোডাল অফিসারদের সঙ্গেও আলাদাভাবে বৈঠক করার কথা রয়েছে।
ফুল টিমের সফর ও চূড়ান্ত তালিকা
প্রসঙ্গত, এই বিশেষ দলটি প্রথমে রাজ্যে এসে বৈঠক করার কথা ছিল। তবে বর্তমান পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে ভার্চুয়াল বৈঠকের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই বৈঠক শেষের পরেই কমিশনের ফুল টিম আগামী সপ্তাহে রাজ্য সফরে আসতে পারে বলে কমিশন সূত্রে ইঙ্গিত মিলেছে। উল্লেখ্য, বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) প্রক্রিয়ার পর গতকালই রাজ্যের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।
কমিশনের এই তালিকা প্রকাশের পরপরই যে প্রশ্নটি উঠেছে তা হল— ভোট (West Bengal Election 2026 date) ঘোষণা হবে কবে? তা কি মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহেই হয়ে যাবে?
কমিশন এবং শাসক দল বিজেপি— দুটি সূত্রেই দাবি যে এবার তুলনামূলক অনেক কম দফায় ভোট গ্রহণ হবে। ২ থেকে ৩ দফায় ভোট সেরে ফেলবে কমিশন। এটা ঠিক যে পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে অসম, কেরল, তামিলনাড়ুতে ভোট হবে। তবে বাংলা ছাড়া আর কোনও রাজ্যেই এক বা দু’দফার বেশি ভোট করাতে হয় না কমিশনকে।
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার মেয়াদ রয়েছে মে পর্যন্ত, তবে বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, ''যতদিন না নতুন সরকার তৈরি হচ্ছে, ততদিন মেয়াদ থাকছে বিধানসভার''। তাই মাত্র দুই বা তিন দফায় ভোট করালে কমিশনের বেশি সময় লাগবে না। কমিশনের দিল্লি দফতর এবং কলকাতায় সিইও অফিস দুটি সূত্রেই বলা হচ্ছে, সেই কারণেই এ বার মার্চের প্রথম সপ্তাহে ভোট ঘোষণার সম্ভাবনা খুব কম। বরং যে দুই বা তিন দফায় ভোট হবে তা অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করায় বেশি নজর দেবে কমিশন। মার্চের তৃতীয় সপ্তাহে ভোট ঘোষণা করলেও আরামসে মে মাসের গোড়ায় ফল ঘোষণার দিন ফেলা যাবে।