
প্রতীকী ছবি।
শেষ আপডেট: 1 March 2025 11:55
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বছর ঘুরলেই রাজ্যের বিধানসভা ভোট। দলের নেতা, কর্মীদের কী করতে হবে, বৃহস্পতিবার নেতাজি ইন্ডোরের মঞ্চ থেকে সেই টাস্ক বেঁধে দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী। গোষ্ঠী কোন্দলের বিষয়েও সকলকে সতর্ক করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় (Mamata Banerjee)।
তারই মধ্যে ফের সামনে এল শাসকদলের গোষ্ঠী কোন্দল (Tmc clash in Barasat)। সূত্রের খবর, শুক্রবার রাতে বারাসতের ২১ নম্বর ওয়ার্ডে দলেরই যুব সভাপতি এবং তার অনুগামীদের হাতে মার খেলেন দলের ওয়ার্ড সভাপতি রামপ্রসাদ মিত্র। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় দলের কর্মীরা তাঁকে বারাসত হাসপাতালে ভর্তি করেন।
গোটা ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকার জনমানসে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পরিস্থিতির জন্য পুলিশি নিষ্ক্রিয়তাকে দায়ী করছেন বাসিন্দারা। তাঁদের কথায়, এলাকায় শাসক দলের দুই পক্ষের অনুগামীদের মধ্যে হামেশাই মারধরের ঘটনা ঘটছে। পুলিশ পদক্ষেপ করলে এমনটা হত না। পুলিশ অবশ্য জানিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।
২১ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি রামপ্রসাদ মিত্র জানান, ওয়ার্ডে কয়েকটি বহুতল নির্মাণের জেরে রাস্তা খারাপ হয়ে গিয়েছে। এ বিষয়ে স্থানীয় ক্লাবে বাসিন্দাদের নিয়ে তিনি বৈঠকে বসেছিলেন। তখনই টিএমসিপি নেতা আসাদুল মণ্ডলের নেতৃত্বে একদল লোকজন ক্লাবের ভেতরে ঢুকে মারধর করে যায়। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করে আসাদুলের দাবি, এ ঘটনার সঙ্গে তার কোনও সম্পর্ক নেই।
প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার নেতাজি ইন্ডোরের সভা থেকে গোষ্ঠী রাজনীতি প্রসঙ্গে কড়া বার্তা দিয়েছিলেন দলনেত্রী। মমতা বলেন, "আমি ফেসবুক, টুইটার সব দেখি। অনেকে বলেন আমি তৃণমূল করি না, প্রতীক চিনি না, আমি অমুক দাদার রাজনীতি করি। এসব আমি নজর করি। প্রতীক না থাকলে আপনি কাউন্সিলর, বিধায়ক, সাংসদ কিছুই হতে পারতেন না। আপনার যদি কেউ নেতা হয় তাহলে সেটা হল জোড়াফুল।"
তারপরই গোষ্ঠী কোন্দল ঘিরে প্রশ্ন উঠছে। যদিও এ ব্যাপারে জেলা নেতারা কেউই কোনও মন্তব্য করতে চাননি।