দ্য ওয়াল ব্যুরো : উত্তরপ্রদেশে নাগরিকত্ব আইন বিরোধী বিক্ষোভের পর মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বলেছিলেন, অশান্তির জন্য যারা দায়ী তাদের ওপরে ‘বদলা’ নেওয়া হবে। সেইমতো কয়েকজনের কাছে ইতিমধ্যে ক্ষতিপূরণ চাওয়া হয়েছে। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ৬০ টি দোকান। এর পরে প্রকাশ্যে এসেছে কানপুরে তোলা একটি ভিডিও। তা দেখিয়ে স্থানীয় মানুষের দাবি, পুলিশই বিক্ষোভের সময় দোকানে ভাঙচুর করেছিল।
কোনও বাড়ির ছাদ থেকে গোপনে মোবাইল ফোনের ক্যামেরায় কেউ ছবি তুলেছিলেন। তাতে দেখা যায়, বেগমগঞ্জ অঞ্চলে শ’খানেক পুলিশকর্মী কয়েকটি দোকানের শাটার ভাঙচুর করছেন। সেখানে কয়েকটি গাড়ি দাঁড় করানো ছিল। সেগুলিও ভাঙচুর করা হচ্ছে। এই সময় প্রচণ্ড শব্দ শোনা গিয়েছে। স্থানীয় লোকজনের দাবি, পুলিশ দোকানের শাটার ভাঙচুর করার সময় ওই শব্দ হয়েছে।
https://twitter.com/alok_pandey/status/1209732969411141632
ভিডিওটি ২১ ডিসেম্বরের। তার পরদিনই মুজফফরনগরে ৬০ টি দোকান বন্ধ করে দেওয়া হয়। অভিযোগ, ওই সব দোকানের মালিকরা হিংসাত্মক কার্যকলাপে অংশ নিয়েছিলেন।
গত সপ্তাহে উত্তরপ্রদেশের মুজফফরপুর, বাহরাইচ, বুলন্দশহর, গোরক্ষপুর, ফিরোজাবাদ, আলিগড় এবং ফারুখাবাদ জেলা থেকে বিক্ষোভ ও হিংসার খবর পাওয়া যায়। ওইসব অঞ্চলে পথে নামে হাজার হাজার মানুষ। পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া হয়। গাড়িতে আগুন লাগানো হয়। পুলিশ লাঠিচার্জ করে ও কাঁদানে গ্যাস ছুড়ে জনতাকে ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
দু’মিনিটের এক ভিডিওতে দেখা যায়, রাজ্যের পূর্ব প্রান্তে গোরক্ষপুরে এক সরু গলির এক প্রান্তে দাঁড়িয়ে জনতা। অন্য প্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে পুলিশ। দাঙ্গাহাঙ্গামা ঠেকানোর জন্য তারা প্রস্তুতি নিয়ে এসেছে। পুলিশের কয়েকজনের হাতে ছিল অ্যাসল্ট রাইফেল। জনতাকে দেখা গিয়েছে, পুলিশের উদ্দেশে চিৎকার করছে। পাথর ছুড়ছে। কিছুক্ষণ পরে পুলিশকেও জনতার উদ্দেশে পাথর ছুড়তে দেখা গিয়েছে।