
ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 25 February 2025 15:12
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কুমোরটুলি কাণ্ডে (Trolley Murder Case) মা-মেয়ের কার্যকলাপ নিয়ে রহস্য আরও ঘনীভূত হল! কী কারণে খুন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে মধ্যমগ্রামের ভাড়া বাড়িতেই ওই বৃদ্ধাকে খুন করা হয়েছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান। আটক মা ও মেয়ে ফাল্গুনী ঘোষ এবং আরতি ঘোষকে জেরা করে এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের খবর, মধ্যমগ্রাম পুরসভার ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের বীরেশ পল্লীতে গত আড়াই বছর ধরে ভাড়া রয়েছেন মা-মেয়ে। এদিন অবশ্য মধ্যমগ্রাম থেকে ট্রেনে চড়েননি তাঁরা!
পুলিশ সূত্রের দাবি, সম্ভবত ব্য়স্ততম মধ্যমগ্রাম স্টেশনকে এড়াতেই তাঁরা মধ্যমগ্রাম স্টেশনের পরিবর্তে বীরেশপল্লী থেকে ভ্যানে করে দোলতলা পৌঁছন। সেখান থেকে ক্যাব বুক করে ৭ কিলোমিটার দূরত্বের কাজিপাড়া স্টেশনে যান। সেখান থেকেই বিবাদীবাগ লোকালে চেপে ট্রলি নিয়ে পৌঁছে যান আহিরীটোলা ঘাটে।
যা থেকে পুলিশের অনুমান, বাড়িতেই বৃদ্ধা পিসিশাশুড়িকে খুন করা হয়ে থাকতে পারে। তারপরে দীর্ঘ পথ পেরিয়ে গঙ্গায় দেহটি ভাসিয়ে দিতে চেয়েছিল তারা। তবে ঠিক কী কারণে খুন তা স্পষ্ট নয়।
এদিন দুপুরে পুলিশকে দেখে চমকে যান মধ্যমগ্রামের বীরেশপল্লীর বাসিন্দারা। তাঁরা পুলিশকে জানান, গত আড়াই বছর ধরে ওই মা-মেয়ে এখানে ভাড়া থাকত। স্থানীয়দের অভিযোগ, হামেশাই রাতে অচেনা লোকের যাতায়াত লক্ষ্য করা যেত ওই বাড়িতে। অচেনা লোকেদের আনাগোনার প্রতিবাদও করেছিলেন প্রতিবেশীরা। বাড়ির মালিক ভাড়াটিয়াদের ভাড়া দিয়ে নিজে কলকাতায় থাকেন বলে জানা গেছে। গোটা ঘটনার কথা জানানো হয় তাদেরও। বাড়ি ভাড়ার চুক্তির মেয়াদ চলতি বছরের মার্চে শেষ হয়ে যাওয়ার পর উঠে যাওয়ার কথা ছিল মা-মেয়ের।
তবে শেষ কয়েকদিন আগে এক মহিলাকে ওই বাড়িতে রাত্রিবেলা আসতে দেখা যায় বলেই জানান প্রতিবেশীরা। ওই মহিলারই দেহ ট্রলি থেকে পাওয়া গিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে কী কারণে মা, মেয়ে ওই মহিলাকে খুন করল তা এখনও স্পষ্ট নয়। জানা যাচ্ছে, মৃত মহিলার নাম সুমিতা ঘোষ। তার বাড়ি নদিয়া জেলার নাদনঘাটাতে৷