
শেষ আপডেট: 1 April 2023 15:27
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কোহিনুর হিরে নিয়ে আজও বিতর্কের শেষ নেই। ব্রিটেনের রানির মুকুটে ঠাঁই পাওয়া সেই বহুমূল্য হিরে আজ অবধি বহুবার ভারতে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি উঠলেও তা কখনওই বাস্তবায়িত হয়নি। তবে এর উল্টো ঘটনা দেখা গেল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। ভারত থেকে অবৈধভাবে পাচার হয়ে যাওয়া বেশ কিছু সুপ্রাচীন পুরাতাত্বিক ভাস্কর্য (antique) ঠাঁই পেয়েছিল নিউইয়র্কের বিখ্যাত মেট্রোপলিটন মিউজিয়াম অফ আর্ট-এ (Metropolitan Museum Of Art)। কিন্তু সেই অবৈধ পাচারের কথা জানতে পারা মাত্রই ১৫টি ভাস্কর্য ভারতে ফিরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মেট্রোপলিটন মিউজিয়াম কর্তৃপক্ষ।



পাচার হয়ে যাওয়া পুরাতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলির মধ্যে রয়েছে প্রথম শতাব্দী থেকে শুরু করে একাদশ শতাব্দী পর্যন্ত সময়কার দুষ্প্রাপ্য কিছু ভাস্কর্য। সেগুলি কোনওটি তামার, কোনওটি পাথরের, তো কোনওটি আবার টেরাকোটার তৈরি। জানা গেছে, সুভাষ কাপুর নামে এক কুখ্যাত ডিলারের হাত ধরে আমেরিকায় পাচার হয়ে গিয়েছিল দুষ্প্রাপ্য এবং বহুমূল্য ভাস্কর্যগুলি।



কাঞ্চিপুরামের ভারাধারাজা পেরুমল মন্দির থেকে দেবদেবীর মূর্তি পাচার করার অভিযোগে সুভাষ কাপুর বর্তমানে তামিলনাড়ুর ত্রিচি সেন্ট্রাল জেলে বন্দি রয়েছে। ২০২২ সালের নভেম্বর মাসে তামিলনাড়ুর কুম্বাকোনামের একটি আদালত তাকে ১০ বছরের কারাদণ্ডের সাজা দিয়েছে।



সূত্রের খবর, গত ২২ মার্চ নিউইয়র্ক সুপ্রিম কোর্ট মেট্রোপলিটন মিউজিয়ামের বিরুদ্ধে একটি সার্চ ওয়ারেন্ট জারি করে। বলা হয়, পুলিশকে ১০ দিনের মধ্যে পুরাতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলি বাজেয়াপ্ত করে তা আদালতে পেশ করতে হবে। এরপরেই গত বৃহস্পতিবার একটি বিবৃতি দিয়ে মেট্রোপলিটন মিউজিয়াম কর্তৃপক্ষ জানায়, ভারত থেকে অবৈধভাবে ভাস্কর্যগুলি পাচার করা হয়েছিল জানতে পারার পরেই তারা ১৫টি ভাস্কর্য ভারত সরকারের কাছে ফিরিয়ে দেবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জানা গেছে, জিনিসগুলির বর্তমান মূল্য ৯ কোটি ৮৭ লক্ষ টাকা।



সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, মেট্রোপলিটন মিউজিয়ামের ক্যাটালগে বিভিন্ন শতকের ৫৯টি পেইন্টিং সহ অন্তত ৭৭টি পুরাতাত্ত্বিক নিদর্শনের খবর মিলেছে যেগুলির সঙ্গে যোগসূত্র রয়েছে সুভাষ কাপুরের। এছাড়াও মিউজিয়ামটির এশিয়া কালেকশনের মধ্যে জম্মু ও কাশ্মীরে তৈরি ৯৪টি শিল্পকর্মের খোঁজ মিলেছে যেগুলি কবে, কার দ্বারা, কীভাবে ভারত থেকে নিউ ইয়র্কে গিয়ে পৌঁছাল তা জানা যায়নি।



ইংরেজিতে ফেল, বারো ক্লাসে উঠতেই পারেননি! তিনিই আজ জলপাইগুড়ির পুলিশ সুপার