দ্য ওয়াল ব্যুরো: পাকিস্তানকে কালো তালিকাভুক্ত করা নিয়ে আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ফিনান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্সের (এফএটিএফ) গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে তোপ দাগল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তারা স্পষ্ট ভাবে বলেছে, তাদের মাটিতে জঙ্গি কার্যকলাপ বন্ধ করুক পাকিস্তান, হাফিজ সইদ-সহ লস্কর-ই-তৈবার শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করুক তারা। প্যারিসে এফএটিএফের বৈঠক শুরুর দিন চারেক আগে লস্কর-ই-তৈবা/ জামাত-উদ-দাওয়ার চার নেতাকে গ্রেফতার করেছে পাকিস্তান, তাদের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন মার্কিন বিদেশ মন্ত্রকের দক্ষিণ ও মধ্যএশিয়া ব্যুরোর প্রধান অ্যালিস ওয়েলস।
ধৃতদের তালিকায় আছে অধ্যাপক জাফর ইকবাল, ইয়াহিয়া আজিজ, মহম্মদ আশরফ ও আব্দুল সালাম। জঙ্গিগোষ্ঠীকে অর্থসাহায্য করার অভিযোগ এনে তাদের গ্রেফতার করেছে পাকিস্তান।
সন্ত্রাসদমন দূরে থাক, তাদের দেওযা উন্নয়নের টাকা জঙ্গিগোষ্ঠীগুলির হাতে দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ তুলেছে এফএটিএফ। আগের বৈঠকেই তারা পাকিস্তানকে সতর্ক করে দিয়েছিল। এমনকি সময়ও বেঁধে দিয়েছিল। তবে নিজেদের মাটিতে জঙ্গি কার্যকলাপ বন্ধ করার বদলে কাশ্মীর নিয়ে বেশি মাথা ঘামিয়েছে তারা। এফএটিএফ বৈঠক চলাকালীন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং পাকিস্তানকে হুঁশিয়ার করে বলেন, পাকিস্তান চাইলে জঙ্গিদমনে সেনা পাঠাতে প্রস্তত ভারত।
জুন মাসেই পাকিস্তানকে ধূষর তালিকাভুক্ত করেছে এফএটিএফ। একই সঙ্গে পাকিস্তানকে বলে দেওয়া হয়েছিল যাতে তারা অক্টোবর মাসের মধ্যেই নিজেদের শুধরে নেয়। একই ভাবে সতর্ক করা হয়েছিল উত্তর কোরিয়া ও ইরানকে।
মঙ্গলবারের মধ্যেই স্পষ্ট হয়ে যাবে পাকিস্তানকে ধূষর তালিকায় রাখা হবে, কালো তালিকাভুক্ত করা হবে নাকি ধূষর তালিকা থেকেও বাদ দিয়ে দেওয়া হবে।
হাফিজ সইদের পাশাপাশি মাসুদ আজহারের বিরুদ্ধে গত মাসেই পাকিস্তানকে পদক্ষেপ করতে বলেছিলেন ওয়েলস। একই সঙ্গে তিনি বলেছিলেন, এই দুই জঙ্গির বিরুদ্ধে পাকিস্তানের পদক্ষেপের উপরেই নির্ভর করছে ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কের অনেকটাই, কারণ এরা দু’জনেই সীমান্ত পার থেকে ভারতে অনুপ্রবেশ ঘটানোর সঙ্গে যুক্ত। যদিও পাকিস্তান এই দু’জনের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করেনি।
উল্টে ভারত নিজেদের সংবিধানের অস্থায়ী ৩৭০ ধারা বিলোপ করায়, পাকিস্তান তাদের দেশ থেকে ভারতের রাষ্ট্রদূতকে দেশে ফিরিয়ে দেয়। অবনতি ঘটে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের।
লস্কর-ই-তৈবার অধীন জামাত-উদ-দাওয়া মুম্বই হামলার সঙ্গে যুক্ত, কান্দাহার বিমান অপহরণে জড়িয়ে আজহার মাসুদের নাম।
https://www.four.suk.1wp.in/pujomagazine2019/%e0%a6%b9%e0%a7%9f%e0%a6%a4%e0%a7%8b-%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%87-%e0%a6%9b%e0%a7%8b%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%96/