
শেষ আপডেট: 5 July 2023 18:12
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মহানগরে ঘুরে মহা আনন্দিত মার্কিন রাষ্ট্রদূত এরিক গারসেতি (Eric Garcetti)। বুধবার সকালে বৃষ্টিভেজা কলকাতায় একটি হলুদ ট্যাক্সির সামনে পোজ দিয়ে ছবি তুলে টুইট করেছিলেন, "অ্যাম্বাসেডরের সামনে অ্যাম্বাসেডর"। তারপর সারাদিন তিলোত্তমার নানা জায়গা ঘুরে দেখেছেন। শহর ঘুরতে (CalcuttaWalks) তাঁর যে বেশ ভাল লাগছিল সেটা মুখের অভিব্যক্তি দেখেই বোঝা গেছে। কলকাতা ঘুরে আপ্লুত মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেছেন, 'সংস্কৃতি আর সম্প্রীতির শহর কলকাতা।'
শহরের নানা দর্শনীয় স্থান তো দেখেইছেন, ধর্মীয় উপাসনালয়গুলোও ঘুরে ঘুরে দেখেছেন এরিক। আর তারপরেই তিনি বলেছেন, এত রকমের সংস্কৃতি, ধর্মীয় মেলবন্ধ দেখে তিনি সত্যিই আপ্লুত। নিজের অভিজ্ঞতা জানাতে টুইট করে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেছেন, "শহরের ইতিহাসের গভীরতা দেখলাম, ধর্মীয় স্থানগুলোর সম্প্রীতি দেখলাম, কলকাতা সত্যিই বিবিধের মাঝে মহামিলনের ক্ষেত্র।"
গতকাল দিল্লির বঙ্গভবনে হঠাৎই হাজির হয়েছিলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত। দিল্লিতে অতিথিশালা বঙ্গভবনে তাঁকে রাজকীয় আপ্যায়ণ করা হয়। তড়িঘড়ি সাজিয়ে তোলা হয় রাজ্য সরকারের অতিথিশালা। তাঁর আসার খবর পেয়েই তড়িঘড়ি হ্যালি রোডের বঙ্গভবনে এসে পৌঁছন রাজ্য সরকারের রেসিডেন্ট কমিশনার দফতরের আধিকারিকরা। মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানাতে যাবতীয় ব্যবস্থা করা হয়। মার্কিন রাষ্ট্রদূত বাংলার পদ চেখে দেখতে চেয়েছিলেন বলে একাধিক বাঙালি পদও রাঁধা হয়। আম পান্না থেকে ফিস ফ্রাই, শুক্তো থেকে লুচি-কষা মাংস, এমনকী শেষপাতে আমের চাটনি, রসগোল্লা, সন্দেশও খান তিনি।
তারপরে বুধবার কলকাতা ঘুরে দেখার ইচ্ছাপ্রকাশ করেন এরিক গারসেতি। সে ব্যবস্থাও সুন্দর করে করা হয়। এদিন দিনভর শহরের নানা জায়গা ঘুরে দেখেছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত। বলেছেন, বাংলার ফুটবল, সংস্কৃতি, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও বাঙালি খাবার তাঁর খুবই পছন্দের। রবীন্দ্র সঙ্গীত শুনে মুগ্ধ হন তিনি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের পছন্দেই ভারতে মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ করা হয় এরিক গারসেতিকে। ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রথম সারির নেতা এরিক গারসেতি ২০১৩ সাল থেকে ২০২২-এর ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত টানা প্রায় এক দশক আমেরিকার দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর লস অ্যাঞ্জেলেসের মেয়র পদে ছিলেন। সেই সময় নানা সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজে প্রশংসা পেয়েছিল লস অ্যাঞ্জেলেস। বিশ্বের বিভিন্ন শহরের সঙ্গে সহযোগিতার বন্ধন তৈরির কাজে সাফল্যও পেয়েছিলেন এরিক। ভারত-আমেরিকা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, পারস্পরিক সহযোগিতা, অর্থনৈতিক এবং নিরাপত্তা বিষয়ক অংশীদারিকে আর শক্তপোক্ত করতে এরিক গারসেতির উপরেই সবচেয়ে বেশি ভরসা করেন বাইডেন।
বেতন ৯০ লক্ষ থেকে তিন কোটি! নির্বাচক প্রধান হয়েই শচীনের সঙ্গে মহাভোজে আগরকার