দ্য ওয়াল ব্যুরো : লোকসভায় নাগরিকত্ব বিল পাশ হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে একটি বিবৃতি দেয় ধর্মীয় স্বাধীনতা সংক্রান্ত মার্কিন কমিশন। সেখানে বলা হয়, ওই বিল দুঃখজনক। বিদেশ মন্ত্রক থেকে পালটা বলা হয়, এই ধরনের বিবৃতি সঠিক নয়। তা কাঙ্ক্ষিতও নয়। ওই সংস্থাটি নিজের ধারণা নিয়েই চলছে। যে বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করছে তা নিয়ে তাদের সামান্য ধারণাও নেই।
প্রস্তাবিত নাগরিকত্ব বিলে বলা হয়েছে, পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পার্সি ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষ যদি ধর্মীয় নিপীড়নের ভয়ে পালিয়ে আসেন, তবে তাঁদের ভারতের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর অবধি যাঁরা এদেশে এসেছেন, তাঁরাই নাগরিকত্ব পাওয়ার যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।
সোমবার আমেরিকার কমিশন ফর ইন্টারন্যাশনাল রিলিজিয়াস ফ্রিডম বিবৃতি দিয়ে বলেছে, নাগরিকত্ব বিল ভারতের লোকসভায় যেভাবে পাশ হয়েছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এর পরে বলা হয়েছে, "নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল যদি সংসদের দুই কক্ষে পাশ হয়ে যায়, তাহলে আমেরিকার উচিত অমিত শাহ ও ভারতের অন্যান্য বড় নেতার ওপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করা।"
বিদেশ মন্ত্রক থেকে পালটা বিবৃতিতে বলা হয়, কয়েকটি দেশে যাঁরা ধর্মীয় কারণে নির্যাতিত হয়েছেন, তাঁরা যাতে দ্রুত ভারতের নাগরিকত্ব পান, তারই ব্যবস্থা করা হয়েছে নাগরিকত্ব বিলে। পরে বলা হয়েছে, "নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনে বা জাতীয় নাগরিকপঞ্জিতে কোনও ধর্মের ভারতীয়ের নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার কথা বলা হয়নি। এমন কথা যাঁরা বলছেন, তাঁদের বিশেষ উদ্দেশ্য আছে। কে নাগরিক আর কে নয়, তা পরীক্ষা করার অধিকার প্রতিটি দেশেরই আছে। আমেরিকারও আছে। নানা পদ্ধতিতে নাগরিকপঞ্জি তৈরি করা যেতে পারে।"