দেশে করোনা আক্রান্ত এক লাফে বাড়ল ১৪৬৩, তবে সুস্থও হয়ে উঠেছেন ১১৯০ জন
দ্য ওয়াল ব্যুরো:করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দশ হাজার ছাড়িয়ে গেছে দেশে। মঙ্গলবার বিকেল ৫টা নাগাদ কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক যে বুলেটিন প্রকাশ করেছে তাতে দেখা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে ১৪৬৩। দেশজুড়ে মোট আক্রান্তের
শেষ আপডেট: 13 April 2020 18:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো:করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দশ হাজার ছাড়িয়ে গেছে দেশে। মঙ্গলবার বিকেল ৫টা নাগাদ কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক যে বুলেটিন প্রকাশ করেছে তাতে দেখা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে ১৪৬৩। দেশজুড়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১০ হাজার ৮১৫। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে আরও ২৯ জনের। মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩৫৩।
দেশে এখনও অ্যাকটিভ কেসের সংখ্যা ৯২৭২। তবে সংক্রমণ সারিয়ে সুস্থও হয়ে উঠেছেন ১১৯০ জন। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের যুগ্ম সচিব লব আগরওয়াল গতকালই জানিয়েছিলেন, দেশে করোনা আক্রান্তদের মধ্যে ৮০ শতাংশের শরীরেই সংক্রমণ মৃদু। বাকি ২০ শতাংশকে রাখা হয়েছে আইসোলেশনে বিশেষ পর্যবেক্ষণে। আজ বাংলা নববর্ষের দিন সকালে জাতির উদ্দেশে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন যে, দেশে সংক্রমণ কমাতে গেলে আরও বেশি করে টেস্টের দরকার। তিনি এও বলেন, যে জায়গা হটস্পটে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে সেখানে কঠিন পদক্ষেপ করা হবে। কারণ হটস্পট বাড়লে সংকট আরও প্রকট হতে পারে।

করোনা সংক্রমণের নিরিখে দেশের মধ্যে মহারাষ্ট্র, দিল্লি ও তামিলনাড়ুর অবস্থা এখনও উদ্বেগজনক। মহারাষ্ট্রে আক্রান্তের সংখ্যা দুহাজার ছাড়িয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের বুলেটিন বলছেন, সেখানে মোট সংক্রামিত ২৩৩৭। এদিন নতুন করে ৩৫২ জনের শরীরে কোভিড-১৯ পজিটিভ ধরা পড়েছে। মৃত্যু হয়েছে ১৬০ জনের। মহারাষ্ট্রের পরেই রয়েছে দিল্লি। সেখানে করোনা ধরা পড়েছে ১৫১০ জনের। তামিলনাড়ুতে সংক্রামিত ১১৭৩।
মঙ্গলবার সন্ধেয় স্বাস্থ্য ভবনের তরফে বুলেটিন প্রকাশ হতে দেখা যায় এই রাজ্যে করোনা অ্যাকটিভের সংখ্যা হয়েছে ১২০। সোমবারের রিপোর্টে বলা হয়েছিল, ১১০ জনের দেহে সক্রিয় রয়েছে করোনার জীবাণু। অর্থাৎ, ২৪ ঘণ্টায় বেড়েছে ১০। মৃতের সংখ্যা বাড়েনি, সাতই রয়েছে।
এদিন সকালে জাতির উদ্দেশে বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জানিয়ে দিলেন গোটা দেশে লকডাউন চলবে ৩ মে পর্যন্ত। ১ মে শ্রম দিবসে এমনিতেই ছুটি থাকে। আবার তার পর শনি ও রবিবার অর্থাৎ ১ ও ২ মে সরকারি অফিস কাছারির সাপ্তাহিক ছুটি। তাই একেবারে ৩ মে পর্যন্ত লকডাউন রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এদিনের বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী অবশ্য এও বলেন, আগামী দিনে আরও কঠোরভাবে লকডাউনের শর্ত পালন করতে হবে। তবেই সংক্রমণ ছড়ানোর ঝুঁকি কমবে।