দ্য ওয়াল ব্যুরো: একদিকে কেন্দ্রের ডিজিটাল বিধির শর্ত পূরণ না করতে পারার জেরে আইনি রক্ষাকবচ হারানো। অন্যদিকে গাজিয়াবাদে প্রৌঢ় নিগ্রহকে কেন্দ্র করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়ো বার্তা ছড়াতে মদত জোগানোর অভিযোগ। এই দুইয়ের ধাক্কায় রীতিমতো বেসামাল টুইটার কর্তৃপক্ষ।
এবার তাদের ওপর আরও চাপ বাড়াল উত্তরপ্রদেশ পুলিশ৷ গাজিয়াবাদের বিতর্কিত ভিডিওর জেরে 'সাম্প্রদায়িক উস্কানি' ছড়ানোর অভিযোগ তুলে টুইটার ইন্ডিয়ার ম্যানেজিং ডিরেক্টর মনীশ মহেশ্বরীকে আইনি নোটিস পাঠাল তারা। শুধু তাই নয়। আগামী ৭ দিনের মধ্যে লোনি বর্ডার থানায় এসে জবানবন্দি দিয়ে যাওয়ার জন্যও তাঁকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সূত্রের খবর, নোটিসে লেখা রয়েছে, 'কিছু ব্যক্তি তাদের টুইটার হ্যান্ডেলকে হিংসা ছড়ানোর মঞ্চ হিসেবে কাজে লাগিয়েছে। অথচ টুইটার কর্তৃপক্ষ সবকিছু জেনেবুঝেও কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। উল্টে সমাজবিরোধী বার্তাকে ছড়িয়ে পড়তে সাহায্য করেছে।'
উল্লেখ্য, ইতিমধ্যে গাজিয়াবাদ-কাণ্ড নিয়ে 'বিভ্রান্তিকর' টুইট করার অভিযোগে অভিনেত্রী স্বরা ভাস্কর, সাংবাদিক আরফা খানুম এবং আসিফ খান নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। অন্যদিকে ভাগ্য ফেরানোর ভুয়ো জিনিসপত্র বিক্রির কারণে সাধারণ মানুষের হাতে নিগ্রহের যে অভিযোগ পুলিশ তুলেছিল, তাকে ইতিমধ্যে নস্যাৎ করেছে প্রৌঢ় সুফি আব্দুল সামাদের পরিবার। সামাদের ছেলে বাবলু সাইফি বলেন, 'না আমার বাবা কোনওদিন তাবিজ বিক্রি করেছেন। না আমাদের পরিবারের কেউ এই ধরনের কারবারের সঙ্গে জড়িত৷ আমরা বরাবর কাঠের কাজ করে থাকি। পুলিশ ঠিক বলছে না। তারাই বিষয়টা তদন্ত করে দেখুক।'