শেষ আপডেট: 20 November 2020 06:12
কৃচ্ছসাধনের দীর্ঘ ইতিহাস মহারাজের জীবনে। ১৮৭০ থেকে ১৯৫৪ সাল পর্যন্ত তিনি জীবিত ছিলেন। মহাবীরের আদর্শকে নিজের জীবনের আদর্শ করে পথে নেমেছিলেন তিনি। মহাবীরের বাণী প্রচার করে মানুষের কল্যাণেই সারাজীবন কাটিয়ে দিয়েছেন মহারাজ বিজয় বল্লভ। তাঁর মৃত্যুর পর রাজস্থানের পালি জেলার জেটপুরাতে তৈরি করা হয় বিজয় বল্লভ সাধনা কেন্দ্র। আর এখানেই স্থাপন করা হয়েছে তাঁর অষ্টধাতুর মূর্তি।
সমাজ সংস্করণের ক্ষেত্রেও তিনি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেছেন। মেয়েদের শিক্ষা, কুসংস্কারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা, ইত্যাদি বহু কাজ তিনি করেছেন। সেই সঙ্গে বহু কবিতা, প্রবন্ধ, ভক্তিমূলক লেখা তিনি লিখেছেন। স্বাধীনতা আন্দোলনেও তাঁর ভূমিকা অনস্বীকার্য। ভারতে এখনও তাঁর অনুগামীরা ৫০টির বেশি স্কুল, কলেজ ও স্টাডি সেন্টার চালাচ্ছেন।
সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী মূর্তি উন্মোচনের ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে বিজয় বল্লভ মহারাজের অবদান সম্পর্কে কথা বলেন। এরই সঙ্গে তিনি সকল দেশবাসীকে আত্মনির্ভর হতে বলেন, এবং 'ভোকাল ফর লোকাল'এর হয়ে প্রচার করেন। দেশীয় শিক্ষাব্যবস্থার ওপরেও গুরুত্ব দেওয়ার অনুরোধ করেন দেশবাসীর কাছে। মেয়েদের পড়াশোনা ও অধিকার নিয়েও এই দিনের অনুষ্ঠানে কথা বলেন প্রধানপমন্ত্রী। দেশবাসীকে সচেতন হওয়ার বার্তাও দেন মঞ্চ থেকে।