দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত ফেব্রুয়ারি মাসে দিল্লির হিংসায় জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার করা হল জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্রনেতা উমর খালিদকে। রবিবার বেশি রাতে তাঁকে গ্রেফতার করেছে দিল্লি পুলিশ।
দিল্লির ওই সাম্প্রদায়িক হিংসার ঘটনায় ৫৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল। দিল্লি পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের তরফে বলা হয়েছে, ধারাবাহিক হিংসার ঘটনায় উমর খালিদ ছিলেন অন্যতম ষড়যন্ত্রকারী। রাজধানীর পুলিশের আরও বক্তব্য, হিংসার ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্ত আম আদমি পার্টির কাউন্সিলর তাহির হুসেনের সঙ্গে প্রত্যক্ষ যোগ ছিল উমর খালিদের। দু'জনে মিলে শলাপরামর্শ করেছিল, হিংসাকে আরও বাড়াতে ভূমিকা নিয়েছিল।
রবিবারই জানা গিয়েছিল দিল্লির হিংসা মামলার সাপ্লিমেন্টরি চার্জশিটে সিপিএম সাধারণ সম্পাদক তথা রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ সীতারাম ইয়েচুরির নাম যুক্ত করা হয়েছে। শুধু সীতারাম নন। সেই তালিকায় রয়েছেন জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির অধ্যাপক জয়তী ঘোষ, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক অপূর্বানন্দ ও স্বরাজ অভিযানের নেতা যোগেন্দ্র যাদবের নামও।
এই ঘটনাকে রাষ্ট্রশক্তিকে ব্যবহার করে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলে সমালোচনা করেছে সিপিএম। তাঁদের বক্তব্য, "ফ্যাসিবাদের নির্লজ্জ নগ্নরূপের বহিঃপ্রকাশ।"
যদিও দিল্লি পুলিশের বক্তব্য, হিংসায় জড়িত থাকার অভিযোগে ধৃত বেশ কয়েকজনের জবানবন্দিতে উঠে এসেছে সীতারামদের নাম। সেই কারণেই সাপ্লিমেন্টরি চার্জশিটে তাঁদের নাম দেওয়া হয়েছে। এবার তদন্ত শুরু হবে।
রাতে.দেখা গেল কানহাইয়া কুমারদের ঘনিষ্ঠ বন্ধু উমরকে গ্রেফতার করল দিল্লি পুলিশ। কানহাইয়া যখন জেএনইউয়ের ছাত্র সংসদের সভাপতি তখন তিন জনের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহীতার মামলা রুজু হয়েছিল। কারাবাসও করতে হয়েছিল কানহাইয়া, উমর, অনির্বাণ ভট্টাচার্যদের।