
শেষ আপডেট: 29 June 2022 05:35
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মহারাষ্ট্রে (Maharashtra Crisis) বিধানসভায় আগামীকাল সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রমাণ দিতে হবে উদ্ধব ঠাকরেকে (Uddhav Thackrey)। রাজভবন থেকে আগামীকাল সকাল ১১' টায় অধিবেশন ডাকতে বিধানসভার সচিব মারফত ডেপুটি স্পিকার তথা বর্তমান কার্যনির্বাহী স্পিকারকে জানানো হয়েছে। রাজ্যপাল ভগৎ সিং কোশিয়ারির এই নির্দেশের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছে উদ্ধব ঠাকরে সরকার। আলাদা করে মামলা করেছে শিবসেনা নেতৃত্ব। তাদের বক্তব্য, ১৬ জন বিধায়কের সদস্য পদ খারিজের বিষয়টির এখনও মীমাংসা হয়নি। সুপ্রিম কোর্ট ১১ জুলাই পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছে। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যপাল সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রমাণ দিতে বলতে পারেন না।
এদিকে ডেপুটি স্পিকার কোনও আইনি পথ নেবেন কিনা সেটাও এখন দেখার। তাঁর বিরুদ্ধেও অনাস্থা প্রস্তাব বিধানসভার বিবেচনাধীন।
আজই মুম্বই ফিরবেন বলে জানিয়েছেন বিদ্রোহী শিবসেনা মন্ত্রী একনাথ শিন্ডে। চলতি পরিস্থিতি অনুযায়ী উদ্ধব ঠাকরের সরকারের মেয়াদ কালই শেষ হয়ে যেতে পারে, যদি না আজ সুপ্রিম কোর্ট রাজ্যপালের নির্দেশ বাতিল করে।
সূত্রের খবর, বিধানসভার অধিবেশনের সরাসরি সম্প্রচারের ব্যবস্থা করা হতে পারে। সেক্ষেত্রে শিবসেনার দুই শিবিরের বক্তব্য সরাসরি তাদের মুখ থেকেই জানা যাবে।
গতকাল রাতে দিল্লি থেকে ফিরে রাতেই রাজভবনে যান বিরোধী দলনেতা দেবেন্দ্র ফড়নবিশ। দুদিন আগে থেকেই সরকার গড়ার তোড়জোড় করে শুরু বিজেপি।
বিজেপির বিরোধী দলনেতা গতকাল দুপুরেই দিল্লি পৌঁছন। বিকেলে তাঁর সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। অমিত শাহের সঙ্গেও আলাদা করে ফোনে কথা হয় ফড়নবিশের। তারপর রাতেই তিনি মুম্বই ফেরেন এবং সেখান থেকে সটান তাঁর কনভয় যায় রাজভবনে।
সূত্রের খবর, তিনি রাজ্যপালকে বলেছেন যে অবিলম্বে বিধানসভা অধিবেশন ডেকে উদ্ধব ঠাকরেকে তাঁর সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রমাণ দিতে। ফড়নবিশের দাবি, শিবসেনার প্রায় ৩৯ জন বিধায়ক গত প্রায় দু'সপ্তাহ ধরে রাজ্যের বাইরে আছেন। সকলেই আদালতে মামলা করে, সংবাদমাধ্যম-সহ বিভিন্ন জায়গায় বিবৃতিতে জানিয়েছেন যে, তাঁরা কেউই আর শিবসেনার সঙ্গে নেই। অৰ্থাৎ, মহারাষ্ট্রের এই বিকাশ আগাড়ি জোট সরকার সংখ্যালঘু সরকারে পরিণত হয়েছে।