দ্য ওয়াল ব্যুরো : মহারাষ্ট্রে বিধানসভা ভোটের ফল বেরিয়েছে ২৪ অক্টোবর। তার এক মাসেরও বেশি পরে, শনিবার বিধানসভায় হল আস্থাভোট। প্রত্যাশামতোই জয়ী হলেন মহা বিকাশ আগাদির প্রার্থী উদ্ধব ঠাকরে। ভোটাভুটি শুরুর আগেই ওয়াক আউট করে বিজেপি। তাদের দলের প্রোটেম স্পিকার কালীদাস কোলাম্বকরকে সরিয়ে এনসিপি-র দিলীপ ওয়ালসে পাতিলকে ওই পদ দেওয়ার প্রতিবাদে তারা ভোটাভুটিতে অংশ নেয়নি। ২৮৮ আসনের বিধানসভায় সরকার গড়তে প্রয়োজন ছিল ১৪৫ টি ভোট। উদ্ধব এদিন পেয়েছেন ১৬৯ টি।
বিধানসভায় স্থায়ী স্পিকার নির্বাচিত হবেন রবিবার। শাসক জোটের পক্ষে স্পিকার পদের দাবিদার হলেন কংগ্রেসের নানা পাটোলে। অন্যদিকে বিজেপি জানিয়েছে, তাদের বিধায়ক কিষাণ কাঠোরে স্পিকার পদে প্রার্থী হবেন। নতুন স্পিকার বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার নাম ঘোষণা করবেন। এদিন ওয়াক আউট করার পরে বিজেপি দেবেন্দ্র ফড়নবিশ বলেন, “মহারাষ্ট্র বিধানসভার ইতিহাসে কখনও স্পিকার নির্বাচনের আগে আস্থাভোট হয়নি। এবার শাসক পক্ষের এত ভয় কীসের?”
আস্থাভোটের আগে উদ্ধব বিধানসভা চত্বরে ছত্রপতি শিবাজির মূর্তির কাছে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তারপর শিবসেনা, কংগ্রেস ও এনসিপি বিধায়কদের উদ্দেশে হুইপ জারি করে বলে, সকলকে বিধানসভায় উপস্থিত থাকতে হবে।
মহারাষ্ট্র বিধানসভায় আস্থাভোটের আগে নতুন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের উদ্দেশে বিজেপির চন্দ্রকান্ত পাতিল চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেন, গোপন ব্যালটে ভোট হলে আপনি কিছুতেই জিততে পারবেন না। আপনাকে ওপেন চ্যালঞ্জ করছি। ঠিক এক সপ্তাহ আগে, গত শনিবার নাটকীয় মোড় নেয় মহারাষ্ট্রের রাজনীতি। এদিন সকালে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেন বিজেপির দেবেন্দ্র ফড়নবিশ। উপমুখ্যমন্ত্রী হন এনসিপির অজিত পাওয়ার। যদিও সেই সরকারের পতন ঘটে ৮০ ঘণ্টার মধ্যে। অজিত পাওয়ার পুরানো দলে ফিরে যান।