
শেষ আপডেট: 16 October 2023 14:32
দ্য ওয়াল ব্যুরো, বর্ধমান: রানিগঞ্জের পর এবার ধানবাদ। মাত্র চার দিনের মধ্যে কয়লানিতে ফের ধস। সোমবার ধানবাদের ইসিএলের কয়লা খনিতে মৃত্যু হয়েছে দুই জনের। ইসিএলের মুগমা এরিয়ার কাপাসারা খোলামুখ খনিতে ঘটেছে এই ঘটনা।
এখনও পর্যন্ত দুটি মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে। যার মধ্যে একজনের পরিচয় পাওয়া গিয়েছে। মৃতের নাম যমুনা রাজবংশী। যদিও আশঙ্কা, ধসের নীচে চাপা পড়ে থাকতে পারে আরও বেশ কয়েকজন। ঘটনাটিতে ইসিএল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুলে ক্ষতিপূরণের দাবি তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। উল্লেখ্য, গত জুন মাসে এই নিরসাতে বিসিসিএলের খোলামুখ খনিতে ৫ জনের মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছিল।
গত বুধবার বিকেলে ইসিএল কুনুস্তরিয়া এরিয়ার অন্তর্গত রানিগঞ্জের নারায়ণকুড়ি খনিতে ধস নামে। তাতে বেশ কয়েকজনের চাপা পড়ার আশঙ্কা দেখা গিয়েছিল। এরপর সেখানে তিনজনের মৃতদেহ উদ্ধার হয়। খনির দেওয়ালে ফুটো করে কয়লা সংগ্রহ করছিলেন কয়েকজন স্থানীয় গ্রামবাসী। তখনই ধসের ফলে তাঁরা চাপা পড়েছেন বলে জানিয়েছিলেন এলাকাবাসীরা। এলাকায় পৌঁছেছিলেন বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পলও। আর সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের কয়লাখনিতে ধসে মৃত্যুর ঘটনা সামনে এল।
ইসিএলের এই খোলামুখ খনিটি ঝাড়খণ্ডের নিরসা থানার আওতায়। ঘটনার পর ইসিএল কর্তৃপক্ষ এবং পুলিশ প্রশাসন উদ্ধারকাজে এগিয়ে আসেনি বলে অভিযোগ করেছেন নিরসার বিজেপি বিধায়ক অপর্ণা সেনগুপ্ত। একইসঙ্গে তাঁর দাবি, পাঁচ মাস ধরে খোলামুখ খনিটিকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ফেলে রাখা হয়েছে। এখানে সিকিউরিটি কিংবা বাউন্ডারি কোনও কিছুরই ব্যবস্থা নেই। ইসিএলের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুলেছে ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চাও।