কিমের সঙ্গে বসছি ১২ জুন, টুইটারে চমক ট্রাম্পের
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শত্রুতা থেকে বন্ধুত্বের পথে। টানা ৫০ বছরেরও বেশি ঝগড়ার পর শেষ পর্যন্ত আলোচনায় বসতে চলেছেন উত্তর কোরিয়ার একনায়ক কিম জং উন এবং আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আগামী ১২ জুন সিঙ্গাপুরে হবে বৈঠক।
উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে বৈ
শেষ আপডেট: 11 May 2018 04:12
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শত্রুতা থেকে বন্ধুত্বের পথে। টানা ৫০ বছরেরও বেশি ঝগড়ার পর শেষ পর্যন্ত আলোচনায় বসতে চলেছেন উত্তর কোরিয়ার একনায়ক কিম জং উন এবং আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আগামী ১২ জুন সিঙ্গাপুরে হবে বৈঠক।
উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে বৈঠকের কথা প্রথমে টুইটারে জানিয়েছেন ট্রাম্প।তিনি লিখেছেন, আমরা উভয়েই চেষ্টা করব যাতে এই বৈঠক বিশ্ব শান্তির পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
গত কয়েক বছর ধরে কিম যেভাবে একের পর এক পরমাণু পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছিলেন, তাতে মনে হচ্ছিল কোরীয় উপদ্বীপে যুদ্ধ আসন্ন হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হওয়ার পরে কিমের সঙ্গে আমেরিকার কথা কাটাকাটি উঠেছিল চরমে।
এর পরে গত মার্চে আচমকাই ট্রাম্প ঘোষণা করেন, তিনি কিমের আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন। শীঘ্রই তাঁরা আলোচনায় বসবেন। তখন জানা যায়, বাইরে যতই ঝগড়া থাক ভিতরে ভিতরে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে আমেরিকার সমঝোতারও চেষ্টা চলছিল পুরোদমে।
কয়েকদিন আগে আমেরিকার বিদেশ সচিব মাইক পম্পিও পিয়ং ইয়ঙে যান। ট্রাম্পের সঙ্গে কিমের বৈঠকে কর আলোচনা হবে তা ঠিক করতেই তিনি গিয়েছেন ওই দেশে। এর পরে আমেরিকার প্রতি সৌজন্য দেখিয়ে সেদেশের তিন বন্দিকে মুক্তি দেয় উত্তর কোরিয়া। বৃহস্পতিবার ট্রাম্প নিজে মুক্ত তিনজনকে স্বদেশে স্বাগত জানান। তার কয়েক ঘন্টার মধ্যে তিনি টুইটারে জানিয়ে দিলেন, কিমের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চলেছেন।
তাঁর কথায়, আমি আন্তরিকভাবে মনে করি, এই বৈঠক অর্থবহ হয়ে উঠবে।
নিরপেক্ষ দেশ হিসাবে দ্বীপরাষ্ট্র সিঙ্গাপুরকেই বৈঠকের উপযুক্ত জায়গা বলে মনে করছে আমেরিকা। ২০১৫ সালে চিরশত্রু দুই দেশ চীন ও তাইওয়ানের বৈঠকও হয়েছিল সিঙ্গাপুরে।