দ্য ওয়াল ব্যুরো: আই ডু। ইয়েস আই ডু।
বিকাল চারটেয় সাংবাদিক বৈঠকের শুরুতেই বললেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
আরও পড়ুন: আই ফিল রিয়েলি গ্রেট, কিমের হাত ধরে বললেন ট্রাম্প
আজ দিনের শুরুতে উত্তর কোরিয়ার একনায়ক কিম জং উনের সঙ্গে যখন প্রথমবার তাঁর দেখা হল, খানিক ঝুঁকে তাঁর দিকে হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন ট্রাম্পই। দুজনেই দেখাতে চাইছিলেন, শত্রুতার দিনগুলি অতীত। এখন বন্ধুত্বের পালা। কিন্তু কূটনীতিকদের সন্দেহ ছিল, এত তাড়াতাড়ি দুই দেশের বিরোধ মিটবে কি? পরস্পরকে কি বিশ্বাস করতে পারবেন ট্রাম্প ও কিম?
https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1006446738016755712
আরও পড়ুন: আপাতত লাভ কিমেরই
ট্রাম্প সেজন্য সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েই বললেন, আই ডু। আমি কিমকে বিশ্বাস করি। আমি মনে করি তিনি যা বলেছেন, তাই করে দেখাবেন। তিনি আমাকে বলেছেন, পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষা কেন্দ্রগুলি ধবংস করে ফেলবেন।
কিমের আরও প্রশংসা করলেন ট্রাম্প।
আরও পড়ুন: হ্যান্ডশেক আর হাসিতে শুরু হলো ট্রাম্প-কিম বৈঠক
তাঁর কথায়, কিম খুব ট্যালেন্টেড। মাত্র ২৬ বছর বয়সে দেশের দায়িত্ব নিয়েছিলেন। তার পর থেকে যেভাবে প্রশাসন চালিয়েছেন, সত্যিই প্রশংসা করার মতো।
আরও পড়ুন: কিমের রহস্যময় বডিগার্ডরা সিঙ্গাপুরেও
কোরিয়ার যুদ্ধের কথা উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, ৭০ বছর আগে এক যুদ্ধে কোরীয় উপদ্বীপে রক্তাক্ত হয়েছিল। অসংখ্য মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। কয়েক হাজার আমেরিকানও নিহত হয়েছিলেন। তার পরে যুদ্ধবিরতি হয়েছিল। কিন্তু যুদ্ধ থামেনি। মনে হয় এতদিনে থামবে।
এরপরেই ট্রাম্প যা বলেছেন, তাকে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ মনে করছে কূটনীতিক মহল।
তিনি বলেছেন, আমেরিকা আর যুদ্ধের মহড়া দেবে না। আমি চাই আমেরিকার সৈন্যরা বাড়ি ফিরে আসুক। তবে এখনই তা হবে না। ধীরে ধীরে হবে।
আরও পড়ুন: ট্রাম্প-কিম চুক্তিপত্রের ছবি উঠল
শীর্ষ বৈঠকের আগে পর্যবেক্ষকরা বলেছিলেন, আলোচনায় বসে ট্রাম্প যেমন চাইবেন উত্তর কোরিয়া পরমাণু অস্ত্রগুলি ধ্বংস করে ফেলুক, তেমন কিমও চাইবেন আমেরিকা কোরীয় উপদ্বীপ থেকে সেনা সরিয়ে নিক।
ট্রাম্পের সাংবাদিক বৈঠকে পরিষ্কার, তিনিও কিমের দাবি বিবেচনা করতে তৈরি।