দ্য ওয়াল ব্যুরো: ত্রিপুরা কংগ্রেসের সভাপতি প্রদ্যোৎ কিশোর দেববর্মণের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠল, পুলিশি হেফাজতে থাকা এক ব্যক্তিকে থাপ্পড় মারার। পুলিশ জানিয়েছে, আগরতলা থেকে ৫০ কিলোমিটার দূরে খোয়াই জেলার জেল হেফাজতে ছিলেন মিন্টু দেব বর্মণ। ত্রিপুরা কংগ্রেসের সভাপতি প্রজ্ঞা দেববর্মণের কনভয় হামলার অভিযোগ ছিল মিন্টুর বিরুদ্ধে। তাঁকেই আচমকা চড় মেরে বসেছেন সে রাজ্যের রাজপরিবারের সদস্য প্রদ্যোৎ।
এই অভিযোগে, বৃহস্পতিবার প্রদ্যোৎ কিশোরের বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করেছে ত্রিপুরা পুলিশ। এর আগেই অবশ্য প্রজ্ঞা দেববর্মণের তরফে হত্যার ষড়যন্ত্রের মামলা রুজু করা হয়েছিল মিন্টুর বিরুদ্ধে। কিন্তু তা হলেও আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া যায় না বলে অভিযোগ করে ত্রিপুরার শাসক দল বিজেপির দাবি, প্রদ্যোৎ এক জন 'বিপজ্জনক' ব্যক্তি। মিন্টু দেববর্মণকে থাপ্পড় দেওয়ার সিসিটিভি ফুটেজ দেখেই প্রদ্যোৎকে এই তকমা দিয়েছে বিজেপি। ওই সিসিটিভি ফুটেজ কিছু ক্ষণের মধ্যেই সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়।
দেখুন সেই ফুটেজ।
https://twitter.com/ANI/status/1118908330439774210
খোয়াই থানার দায়িত্বে থাকা পুলিশ অফিসার পার্থ চক্রবর্তী সাংবাদিকদের জানিয়েছেন দু'তিন দিনের মধ্যে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য প্রদ্যোৎকে ডাকা হবে থানায়। প্রদ্যোৎ কিশোর তাঁর ফেসবুক প্রোফাইলে লিখেছেন, “সরকার আমার বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪৪৭, ৩৫২, ৩২৩ এবং ৫০৬ ধারায় অভিযোগ দায়ের করেছে। কিন্তু আমি, আমার বোনকে আক্রমণ করার চেষ্টা করেছিলেন যিনি, শুধু তাঁর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছি। ভাইয়ের আবেগ যারা বুঝতে পারবে, তাঁরা ঘটনাটা ঠিকই বুঝতে পারবে। ওরা যদি আমায় জেলে রাখতে চায়, রাখুক।”
ত্রিপুরা কংগ্রেসের ভাইস প্রেসিডেন্ট পীযূষকান্তি বিশ্বাস অবশ্য এ বিষয়ে বলেছেন, দোষী প্রমাণিত হলে প্রদ্যোৎ কিশোরকে শাস্তি পেতেই হবে। একই সঙ্গে বিজেপি প্রার্থীর আইপিএস আধিকারিককে জীবনের হুমকি দেওয়ার ভিডিও নিয়ে ত্রিপুরা পুলিশ কেন চুপ, সেই প্রশ্নও করেছেন তিনি।
দিন কয়েক আগে তুলাশিখর থেকে এক সভা সেরে আগরতলায় ফিরছিলেন প্রদ্যোতের বোন প্রজ্ঞা দেবী। সেই সময়ে তাঁর কনভয়ে হামলার অভিযোগ ওঠে মিন্টু দেববর্মণের বিরুদ্ধে।
আরও পড়ুন...
https://www.four.suk.1wp.in/news-national-congress-leader-hardik-patel-slapped-during-a-public-meeting-in-gujarat/