দ্য ওয়াল ব্যুরো : লেসার ফিজিক্সে গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারের জন্য যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন বিজ্ঞানী। মঙ্গলবার একথা জানিয়ে রয়াল সুইডিশ অ্যাকাডেমির তরফে বলা হয়েছে, তাঁদের আবিষ্কারের ফলে চোখের অপারেশনের জন্য আরও সূক্ষ যন্ত্রপাতি তৈরি করা সম্ভব হয়েছে।
তিন বিজ্ঞানীর নাম আর্থার অ্যাশকিন, জিরার্ড মুরো এবং ডোনা স্ট্রিকল্যান্ড। পুরস্কারের আর্থিক মূল্য ৯০ লক্ষ সুইডিশ ক্রোনর । তার অর্ধেক পাবেন আমেরিকার নাগরিক আর্থার অ্যাশকিন। বাকি অর্থ দুভাগ করে ফ্রান্সের নাগরিক জিরার্ড মুরো ও কানাডার নাগরিক ডোনা স্ট্রিকল্যান্ডকে দেওয়া হবে।
অ্যাশকিনের কৃতিত্ব হল 'অপটিক্যাল টুইজার' আবিষ্কার করা। তা দিয়ে সূক্ষাতিসূক্ষ কণা, পরমাণু, ভাইরাস ও অন্যান্য জীবন্ত কোষের নাগাল পাওয়া সম্ভব। এমনকী আলোর তেজস্ক্রিয় চাপকে ব্যবহার করে বিভিন্ন বস্তুকণাকে স্থানচ্যুত করা যাবে। রয়াল সুইডিশ অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেস থেকে বলা হয়েছে, এই আবিষ্কারের ফলে বিজ্ঞানীদের বহুকালের স্বপ্ন সত্যি হল।
মুরো ও স্ট্রিকল্যান্ড যৌথভাবে অতি ক্ষুদ্র অপটিক্যাল পালস সৃষ্টি করার পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন। রয়াল সুইডিশ অ্যাকাডেমির জুরি বলেছেন, মানুষের ইতিহাসে আর কখনও এত ক্ষুদ্র লেসার পালস আবিষ্কার হয়নি।
গত বছর পদার্থবিদ্যায় নোবেল পেয়েছিলেন আমেরিকার তিন বিজ্ঞানী ব্যারি ব্যারিশ, কিপ থর্ন ও রেইনার ওয়েইস। তাঁরা আবিষ্কার করেছিলেন গ্র্যাভিটেশন্যাল ওয়েভস। এই ধরনের তরঙ্গ যে থাকতে পারে তা এক শতাব্দী আগেই আন্দাজ করেছিলেন বিজ্ঞানী অ্যালবার্ট আইনস্টাইন। কিন্তু ওই তিন বিজ্ঞানী প্রমাণ করেছেন, গ্র্যাভিটেশনাল ওয়েভ সত্যিই আছে।