
নওসাদ সিদ্দিকি
শেষ আপডেট: 14 April 2025 16:23
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ওয়াকফ সংশোধনী আইনের (Waqf Amendment Act) প্রতিবাদে রাজ্যজুড়ে প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছে তৃণমূল (TMC)। বলেছে রাজ্যে এই আইন কার্যকর হবে না। অন্যদিকে, আইএসএফ (ISF)-ও আইন প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ করছে। দু'পক্ষেরই যখন সুর এক, তখন কেন তাঁর কর্মী-সমর্থকদের উপর পুলিশি অত্যাচার হচ্ছে, এই প্রশ্ন তুলে 'তফাৎ' বুঝিয়ে দিলেন ভাঙড়ের বিধায়ক নওসাদ সিদ্দিকি (Naushad Siddiqui)।
মালদহ, মুর্শিদাবাদের (Murshidabad News) পর কেন্দ্রের ওয়াকফ আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ শুরু হয়েছে ভাঙড়ে। আইএসএফ (ISF)-র উদ্যোগে রামলীলা ময়দান অভিযান শুরু করেছিল প্রতিবাদীরা। মিনাখাঁ, বাসন্তী, ভাঙড়ের বিভিন্ন জায়গা থেকে দলে দলে আইএসএফ নেতা-কর্মীরা কলকাতা যাওয়ার জন্য রওনা দেন। তখনই পুলিশের বাধার মুখে পড়ে কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় এলাকা। বিক্ষভে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে বাসন্তী হাইওয়ে।
এমন পরিস্থিতিতে ফিরহাদ হাকিম বলেই রেখেছেন, মানুষকে সমস্যায় ফেলে এরকম সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক না। বাংলায় যখন আইন কার্যকর হচ্ছে না, তখন এখানে ঝামেলা না করে নওসাদদের দিল্লি যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
এদিকে নওসাদ মনে করেন, শাসকদল যতই এ ব্যাপারে দায় ঝেড়ে ফেলার চেষ্টা করুক, আসলে এই আইনে প্রচ্ছন্ন ভূমিকা তৃণমূলেরও রয়েছে। ভাঙড়ের বিধায়ক বলেন, "তৃণমূল বলছে রাজ্যে এই আইন কার্যকর হবে না। আচ্ছা যদি তা না-ই করা হয় তাহলে রাজ্যের যা করণীয় সেরকম কোনও পদক্ষেপ কেন দেখা যাচ্ছে না। সরকার কেন সুপ্রিম কোর্টে এ নিয়ে মামলা করছে না?, এই আইনের বিরোধিতায় যখন মানুষ বাসন্তী হাইওয়ে দিয়ে মিছিল করছিল, কেন তৃণমূলের পুলিশ আক্রমণ করল কেন?"
নওসাদ বুঝিয়ে দেন, রাজ্যের এরকম আচরণ আসলে কেন্দ্রের চাপের বহিঃপ্রকাশ। ছন্দ করে আইএসএফ বিধায়ক এও জানিয়ে দিলেন, "যখনই রাজ্য সরকার চাপে পড়ে, দিল্লিগামী ফ্লাইট ধরে।"