দ্য ওয়াল ব্যুরো : সুপ্রিম কোর্টের স্বর্গীয় রায়কে স্বাগত জানাই। শনিবার এমনই টুইট করলেন বিজেপি নেত্রী উমা ভারতী। সেই সঙ্গে তিনি রামমন্দির আন্দোলনের প্রবীণ নেতা লালকৃষ্ণ আডবাণী ও অশোক সিঙ্ঘলকেও শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, যাঁরা রামমন্দির নির্মাণের জন্য জীবন দিয়েছেন, তাঁদের শ্রদ্ধা জানাই। আডবাণীজিকেও শ্রদ্ধা জানাই।
ন'য়ের দশকের শুরুতে রামজন্মভূমি আন্দোলনের প্রধান নেতা ছিলেন বিজেপির লালকৃষ্ণ আডবাণী। উমা ভারতী এদিন সেকথাই স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন। শনিবার সুপ্রিম কোর্ট রায় দিয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকার অযোধ্যায় রামমন্দির নির্মাণের জন্য একটি ট্রাস্ট গঠন করুক। সেই সঙ্গে সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডকে পাঁচ একর জমি দিক।
প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ বলেন, "কেন্দ্রীয় সরকার তিন-চার মাসের মধ্যে ট্রাস্ট এবং মন্দির গঠনের জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করুক।"
অযোধ্যায় জমির মালিকানা দাবি করে অতীতে মামলা করেছিল নির্মোহী আখাড়া। একই ভাবে পাল্টা দাবি জানিয়েছিল, সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড। কিন্তু রায় ঘোষণার আগে এই দুই পক্ষের দাবি খারিজ করে দেয় সর্বোচ্চ আদালত। তার পরই বিতর্কিত জমির মালিকানা আপাতত সরকারের হাতে দেওয়ার রায় দেন বিচারপতিরা। সেই সঙ্গে বলেন, তিন মাসের মধ্যে ট্রাস্ট গঠন করতে হবে সরকারকে। পাশাপাশি মসজিদ নির্মাণের জন্য পাঁচ একর জমিও চিহ্নিত করতে হবে।
এ দিন রায় ঘোষণার আগে পুরাতত্ত্ব বিভাগের সাক্ষ্য ও প্রমাণের কথা বিশদে তুলে ধরেন প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, পুরাতত্ত্ব বিভাগ স্পষ্ট করে জানিয়েছে, অযোধ্যায় মসজিদ খালি জমির উপর নির্মিত হয়নি। তার আগে একটি কাঠামো সেখানে ছিল। তবে সেই কাঠামো আদৌ মন্দির ছিল কিনা তা স্পষ্ট করে বলেনি পুরাতত্ত্ব বিভাগ।
প্রধান বিচারপতি এও বলেন, সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড জমির মালিকানা চেয়ে যে যুক্তি দিয়েছিল তার কোনও ভিত্তি পাওয়া যায়নি। মসজিদটি বাবরই বানিয়েছিলেন কিনা তাও স্পষ্ট নয়।