
বঙ্গোপসাগরে মৎস্যজীবীদের ট্রলার
শেষ আপডেট: 21 June 2024 13:31
দ্য ওয়াল ব্যুরো, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: নিষেধাজ্ঞা উঠতেই মাছ ধরতে কাকদ্বীপ থেকে সমুদ্রে পাড়ি দিয়েছিল রাজনারায়ণ নামে একটি ট্রলার রওনা হয়েছিল। ফেরার পথে জলের হোসপাইপ ফেটে যাওয়ায় ট্রলারটি ডুবে যায়। ওই ট্রলারে ছিলেন ১৮ জন মৎস্যজীবী। বঙ্গোপসাগরের কেঁদো দ্বীপের কাছে দুর্ঘটনাটি ঘটে। যদিও সপ্তর্ষি নারায়ণ নামে একটি ট্রলার ঘটনাস্থলে গিয়ে দুর্ঘটনাগ্রস্থ ট্রলারে আটকে থাকা মৎস্যজীবীদের উদ্ধার করেছে।
গত ১৫ জুন কাকদ্বীপ থেকে বঙ্গোপসাগরের দিকে রওনা হয়েছিল ট্রলার রাজনারায়ণ। ১৯ জুন, বুধবার মাছ নিয়ে তাঁরা তীরের দিকে ফিরছিল। কেঁদো দ্বীপের কাছে এসে মৎস্যজীবীরা দেখতে পান হোসপাইপ ফেটে হু হু করে ট্রলারের মধ্যে জল ঢুকছে। তাঁরা হোসপাইপটি সারানোর আপ্রাণ চেষ্টা চালালেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেননি। ওয়্যারলেসে আশপাশের ট্রলারগুলিকে খবর দিতে থাকেন। কাছেই ছিল সপ্তর্ষি নারায়ণ নামে একটি ট্রলার। খবর পেয়ে ওই ট্রলারটি ডুবন্ত ট্রলারটির কাছে পোঁছিয়ে ১৮ জন মৎস্যজীবীকে উদ্ধার করে। যদিও ট্রলারটিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
কাকদ্বীপ ফিশারম্যান ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক বিজন মাইতি বলেন, ১৫ এপ্রিল থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত ইলিশের প্রজননের সময়, এই সময় সাগরে মাছ ধরার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি থাকে। গত ১৫ জুনের পরে ওই ট্রলারটি বঙ্গোপসাগরের দিকে রওনা দিয়েছিল। ফেরার পথে ট্রলারের নীচে থাকা হোসপাইপ ফেটে যাওয়ায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। যদিও ওই ট্রলারে ইলিশ মাছ ছিল না। পম্পফ্রেট, ভোলা, ছাড়াও অন্যান্য সামুদ্রিক মাছ ছিল।
ইতিমধ্যেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মণ্ড হারবার, কুলপি, ফলতা, কাকদ্বীপ, নামখানা, বকখালি, পাথরপ্রতিমা ও রায়দিঘির বিভিন্ন বন্দরগুলোতে থেকে ট্রলার নিয়ে ইলিশ ধরতে পাড়ি দিয়েছেন মৎস্যজীবীরা। প্রাক বর্ষার বৃষ্টি শুরু হয়েছে দক্ষিণবঙ্গে। এত দিন ইসলামপুরের কাছে আটকে থাকা মৌসুমি বায়ু দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর স্থান বদল করায় ভরসার বৃষ্টিতে ভিজেছে দক্ষিণবঙ্গ। সমুদ্রে পাড়ি দিতে শুরু করেছেন মৎস্যজীবীরা।