ট্রেনিংয়ে শেখানো 'সিপিআর' ব্যবহারে যুবকের প্রাণ বাঁচালেন ট্রাফিক কনস্টেবল
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ট্রেনিংয়ের সময় শেখা সিপিআর ( কার্ডিও পালমোনারি রিসাসিটেশন) পদ্ধতি ব্যবহার করলেন কর্তব্যরত ট্রাফিক হেড কনস্টেবল। আর তাতেই প্রাণ বাঁচল বাইক অ্যাক্সিডেন্টে মাথায় চোট পাওয়া এক যুবকের। ঘটনাটি এগমোরের প্যান্থেওন রোডের।
রবিবার সক
শেষ আপডেট: 4 June 2018 09:29
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ট্রেনিংয়ের সময় শেখা সিপিআর ( কার্ডিও পালমোনারি রিসাসিটেশন) পদ্ধতি ব্যবহার করলেন কর্তব্যরত ট্রাফিক হেড কনস্টেবল। আর তাতেই প্রাণ বাঁচল বাইক অ্যাক্সিডেন্টে মাথায় চোট পাওয়া এক যুবকের। ঘটনাটি এগমোরের প্যান্থেওন রোডের।
রবিবার সকাল ৯টা নাগাদ ৩৫ বছরের প্রসন্না নিজের বাইকে করে যাওয়ার সময় পেছন থেকে একটি হুডখোলা জিপ ধাক্কা মারে তাঁকে। প্রায় ২০ মিটার দূরে ছিটকে পড়েন তিনি। হেলমেট না থাকায় মাথায় আঘাত লাগে তাঁর। সঙ্গে সঙ্গে জ্ঞ্যান হারান প্রসন্না।
মুহূর্তের মধ্যে ভিড় জমে যায় চারপাশে। কেউ তাঁর চোখে মুখে জল ছেটাতে থাকেন, কেউ বা আবার অ্যাম্বুলেন্সে ফোন করেন। কর্তব্যরত ট্র্যাফিক হেড কনস্টেবল ভি শিভাকুমারন সঙ্গে সঙ্গে সেখানে ছুটে যান। সেই মুহূর্তে নিজের উপস্থিত বুদ্ধি প্রয়োগ করেন ওই কনস্টেবল। ট্রেনিংয়ে শেখানো সিপিআর পদ্ধতি অবলম্বন করেন তিনি। কিছুক্ষণের চেষ্টায় জ্ঞ্যান ফিরে আসে প্রসন্নার।
তাঁর এই উপস্থিত বুদ্ধির প্রশংসা করেন স্থানীয় লোকেরা। তারপরেই প্রসন্নাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে রাজীব গান্ধী গভর্নমেন্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে উপস্থিত ডাক্তারেরাও ওই কনস্টেবলের প্রশংসা করে বলেছেন যে ঠিক মুহূর্তে সিপিআর দেওয়ার ফলেই প্রাণ বেঁচেছে ওই যুবকের।
এই প্রসঙ্গে শিভাকুমারন বলেন, "ট্রেনিংয়ের সময় আমাদের সিপিআর, দ্রুত রক্তক্ষরণ বন্ধ করা সহ অনেক কিছুই শেখানো হত। বিভিন্ন হাসপাতালের তরফে এই ট্রেনিং দেওয়া হত। ডাক্তারেরা আমাদের বলতেন অ্যাক্সিডেন্টের ক্ষেত্রে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা বেড়ে যাওয়ায় সিপিআর দেওয়া খুব জরুরী। তাই এক্ষেত্রে আমি একদম সময় নষ্ট না করে গিয়ে ওই যুবককে সিপিআর দিই। আমার চেষ্টায় ওই যুবক বেঁচে যাওয়ায় আমি আনন্দিত।"
কিন্তু সঙ্গে তিনি এও জানান যে বাইক আরোহীদের উচিত সবসময় হেলমেট পরা। হেলমেট পরে বাইক চালানো অস্বস্তিকর হলেও অনেক বেশি সুরক্ষিত।