বদ মতলব ছাড়া নাবালিকার গাল স্পর্শ যৌন হেনস্থা নয়, বম্বে হাইকোর্টের রায়ে জামিন অভিযুক্তর
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শিশুর গাল স্পর্শ করার সময়ে যদি কোনও বদ উদ্দেশ্য না থাকে, তবে তা যৌন নিগ্রহের আওতায় পড়বে না। একটি মামলার শুনানিতে এমনই জানাল বম্বে হাইকোর্ট (Bombay Highcourt)।
গত বছর মহারাষ্ট্রের রাবোধি থানার পুলিশ গ্রেফতার করেছিল ৪৬ বছ
শেষ আপডেট: 29 August 2021 12:11
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শিশুর গাল স্পর্শ করার সময়ে যদি কোনও বদ উদ্দেশ্য না থাকে, তবে তা যৌন নিগ্রহের আওতায় পড়বে না। একটি মামলার শুনানিতে এমনই জানাল বম্বে হাইকোর্ট (Bombay Highcourt)।
গত বছর মহারাষ্ট্রের রাবোধি থানার পুলিশ গ্রেফতার করেছিল ৪৬ বছরের মহম্মদ আহমেদ উল্লা নামক এক ব্যক্তিকে। অভিযোগ, তিনি আট বছরের এক নাবালিকার যৌন নিগ্রহ (sexual offence) করেছিলেন। নাবালিকার পরিবারের তরফের আইনজীবীর দাবি, অভিযুক্ত ওই শিশুকে তাঁর মাংসের দোকানে নিয়ে যায় এবং তার গাল স্পর্শ করে। তাকে বিভিন্নভাবে হেনস্থা করার চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ। সেই সময় এক মহিলার সন্দেহ হওয়ায় তিনি দোকানে ঢোকেন। তখনই সব জানাজানি হয়।
জানা গেছে, এই ঘটনায় ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়, পকসো আইনে (pocso) মামলাও রুজু হয়।
আরও পড়ুন: জাতীয় সঙ্গীত গাইছে একরত্তি 'সেনা'
অভিযুক্ত উল্লা পাল্টা দাবি করেন, তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা যাবতীয় অভিযোগ ভিত্তিহীন এবং ব্যবসায় প্রতিদ্বন্দ্বিতার কারণেই এই ভুয়ো দোষারোপ। তিনি আরও দাবি করেন, বালিকার গাল স্পর্শ করার মধ্যে তাঁর কোনও অপরাধের উদ্দেশ্য ছিল না।
বিচারপতি সন্দীপ শিন্দের এজলাসে এই মামলার শুনানি শুরু হয়। আজ, রবিবার আদালত এই মামলার রায়ে জানায়, 'কোনও যৌন নিগ্রহের উদ্দেশ্য ছাড়া শিশুর গাল স্পর্শ করা যৌন হেনস্থা নয়।' সেই সঙ্গে বম্বে হাইকোর্ট জানায়, রেকর্ডের ভিত্তিতে এটা স্পষ্ট নয়, যে অভিযুক্ত কোনও নিগ্রহের উদ্দেশ্যে শিশুর গাল স্পর্শ করেছিল।
প্রসঙ্গত, পকসো আইনের ৭ নম্বর ধারায় বলা হয়েছে কোনও ব্যক্তি যদি যৌন উদ্দেশ্যপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গীতে কোনও নাবালিকার যৌনাঙ্গ বা গোপন অঙ্গে স্পর্ষ করে বা যৌন অভিপ্রায়ে কোনও কাজ করে তবে তাঁকে যৌন নিপীড়ন বলা যায়। যদিও বিচারপতি শিন্ডে স্পষ্ট করেছেন যে, এই মামলার পর্যবেক্ষণগুলি শুধুমাত্র জামিনের উদ্দেশ্যে মতামত প্রকাশ করা উচিত এবং এটি অন্য কোন ক্ষেত্রে বিচারকে প্রভাবিত করবে না।
পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা 'সুখপাঠ'