দ্য ওয়াল ব্যুরো : গত নির্বাচনেও একে ওপরের বিরুদ্ধে প্রার্থী দিয়েছে পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের দল পাকিস্তান মুসলিম লিগ (নওয়াজ) এবং আর এক প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টোর দল পাকিস্তান পিপলস পার্টি। কিন্তু তেহরিক এ ইনসাফ দলের প্রধান ইমরান খান যাতে প্রধানমন্ত্রী না হতে পারেন, সেজন্য হাত মেলাচ্ছে দুই শত্রু। তাদের দাবি, কয়েকটি ছোটখাটো দলের সমর্থন নিয়ে সংসদে ইমরানকে পরাস্ত করবে। প্রাক্তন ক্রিকেটারকে কিছুতেই প্রধানমন্ত্রী হতে দেবে না।
২৭২ আসনবিশিষ্ট জাতীয় সংসদে ইমরানের দল জিতেছে ১১৬ টি আসন। বিরোধীরা জোট বাঁধলেও প্রধানমন্ত্রী হতে তাঁর অসুবিধা হবে না। কিন্তু সংসদে খুব অল্প আসনের ব্যবধানে তিনি বিরোধীদের থেকে এগিয়ে থাকবেন। যে কোনও বিল পাশ করাতে হিমশিম খেতে হবে। অর্থাৎ বিরোধীরা জোট বাঁধলে প্রধানমন্ত্রী হিসাবে ইমরানের চলার পথ আদৌ মসৃণ হবে না।
২৫ জুলাই পাকিস্তানে নির্বাচনের পরেই বিরোধীরা একযোগে অভিযোগ করেছিল, ব্যাপক রিগিং হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের যে প্রতিনিধিরা পাকিস্তানে নির্বাচন দেখতে গিয়েছিলেন,তাঁরাও বলেছেন, ভোটে সব পক্ষ সমান সুযোগ পায়নি। শরিফের দলের প্রতিনিধি মরিয়ম ঔরঙ্গজেব বৃহস্পতিবার বলেন, আমরা রিগিং করা ভোট মানি না। সব দল সমান সুযোগ পায়নি। সেজন্য আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়েছি।