
ভোটের আগের রাতে খুন তৃণমূল কর্মী
শেষ আপডেট: 13 May 2024 09:13
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সোমবার বাংলার আট কেন্দ্রে চলছে চতুর্থ দফার লোকসভা নির্বাচন। ভোটের আগের দিন রাতে রাজ্যে ঝরল রক্ত। রবিবার রাতে কেতুগ্রামের তৃণমূল কর্মীকে খুনের অভিযোগ উঠেছে। মৃতের নাম মিন্টু শেখ। স্বাভাবিকভাবেই সোমবার সকাল থেকে উত্তপ্ত এলাকা। গোটা গ্রামে থমথমে পরিবেশ।
বোলপুর লোকসভার আওতায় পড়ে কেতুগ্রাম বিধানসভা এলাকা। এদিন সকাল থেকেই বীরভূমের নানা প্রান্ত থেকে বিক্ষিপ্ত উত্তেজনার ছবি সামনে এসেছে। তারই মধ্যে কেতুগ্রামের ঘটনায় উত্তেজনার পারদ চড়েছে। এই ঘটনায় একজন সিভিক ভলাল্টিয়ার সহ দু'জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রামের পাশের একটি জায়গা থেকে সকালে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হয়েছে।
প্রাথমিক তৃণমূল কর্মী খুনে সিপিএমের দিকে আঙুল উঠেছিল। কিন্তু এদিকে মৃতের স্ত্রী তুহিনা খাতুনের দাবি, গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কারণেই খুন হয়েছেন তাঁর স্বামী। লোক দিয়ে খুন করানো হয়েছে বলে অভিযোগ তাঁর। খুনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি, এমনই বিস্ফোরক অভিযোগও করেছেন তুহিনা। পরিবারের তরফে সিআইডি তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।
এদিকে তৃণমূলের অভিযোগ, ভোটের কাজ করে বাড়ি ফেরার পথে পথে মৃতের উপর হামলা করে সিপিআইএম। সরাসরি ওই খুনের ঘটনায় সিপিএমকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টও করেছে শাসক দল। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে বামেরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মিন্টু শেখ ও তাঁর এক সঙ্গী বাইকে করে বাড়ি ফিরছিলেন৷ সে সময় কয়েকজন দুষ্কৃতী তাঁর বাইক আটকায়৷ তিনি বাইক থামাতেই তাঁকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আক্রমণ করা হয়৷ এরপরেই বোমা মারা হয় তাঁদের লক্ষ্য করে৷ ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় মিন্টুর। গুরুতর আহত তাঁর সঙ্গী।
বিস্ফোরণের আওয়াজ শুনে এলাকার বাসিন্দারা ছুটে আসেন৷ কিছু পরেই কেতুগ্রাম থানার আইসি সহ বিশাল পুলিশ বাহিনী পৌঁছয় এলাকায়৷ এই বিষয়ে ঘটনার পরই স্থানীয় বিধায়ক শেখ শাহনওয়াজ বলেছিলেন, ''উনি আমাদের দলের কর্মী ছিলেন৷ তবে কে বা কারা এমন কাজ করল, খোঁজ নিচ্ছি৷'' ভোটের আগের রাতে নৃশংস ঘটনায় আতঙ্কিত এলাকাবাসী।