
শেষ আপডেট: 4 February 2024 13:48
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সওয়া ২ লক্ষ কোটি টাকা খরচের হিসাব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ক্যাগ (কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটরস জেনারেল)। এই বিষয়ে ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে কড়া চিঠি দিয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার ক্যাগ রিপোর্ট নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেছে তৃণমূল কংগ্রেস শিবির। তারা স্পষ্ট জানিয়েছে, বাম আমলে কী হয়েছে তার দায় বর্তমান সরকার নেবে না।
রবিবার সকালে তৃণমূলের সাংবাদিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েন, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। শাসক দলের পক্ষ থেকে জানান হয়েছে, ক্যাগ রিপোর্টে ২০০২-০৩ সাল থেকে ২০২০-২১ সালের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু এই সময়ে বামফ্রন্ট সরকার ক্ষমতায় ছিল। তাই বাম আমলে কী হয়েছে তার দায় বর্তমান তৃণমূল সরকার নিতে বাধ্য নয়।
শাসক শিবিরের দাবি, যতবার কেন্দ্রের তরফে টাকা এসেছে তৃণমূল সরকার যথাযথ সময়ে, যথাযথ কেন্দ্রীয় বিভাগে তার খরচের হিসাব দিয়েছে। তাই জন্যই এতে কোনও বিতর্ক নেই, পরের টাকাও ঠিক সময়ে এসেছে। তৃণমূলের স্পষ্ট দাবি, ক্যাগের রিপোর্টের ধরনকে হাতিয়ার করে বিজেপি বাংলাকে বদনাম করার চেষ্টা করছে, বাংলার সরকারকে অপবাদ দিচ্ছে।
প্রসঙ্গত, বাংলায় সরকারি প্রকল্প খাতে কেন্দ্র ও রাজ্য যে অর্থবরাদ্দ করে তার কতটা খরচ হল, কীভাবে খরচ হল সেই হিসাব রাখতে হয়। তাকে ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট বলে। অনেক সময়ে দেখা যায়, আগের কিস্তির টাকা খরচের হিসাব তথা ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট না পেলে পরের কিস্তির টাকা দেয় না কেন্দ্র। তৃণমূল এটাই দাবি করেছে যে, ২০১১ সালের পর থেকে এই বিষয়ে কোনও গলদ হয়নি সরকারের।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রধানমন্ত্রী মোদীকে দেওয়া চিঠিতে প্রশ্ন তুলেছেন, ২০০২-০৩ সালে তিনি তো মুখ্যমন্ত্রীই ছিলেন না। বামেরা কী করে গেছেন, তার দেয় কেন তিনি দেবেন? তা ছাড়া মমতার দাবি, কেন্দ্রের সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রক থেকে রাজ্য সরকার তাঁর মেয়াদে যে সব বরাদ্দ পেয়েছে, তার সব ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট ইতিমধ্যে পেশ করা হয়ে গেছে।