
সমবায় নির্বাচনে ঝামেলা
শেষ আপডেট: 15 December 2024 13:33
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তায় চলছে কাঁথি সমবায় ব্যাঙ্কের নির্বাচন। রবিবার সকাল ৯টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। দুপুর ২টো পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে। তারপরই শুরু হবে গণনা। সকাল থেকে এলাকা মোটামুটি শান্তিপূর্ণ থাকলেও বেলা গড়াতেই পরিস্থিতি বেগতিক হতে শুরু করে।
রামনগরে হাতাহাতিতে জড়ায় তৃণমূল-বিজেপি। স্থানীয় বিজেপির অভিযোগ, ভোটারদের বুথে যেতে বাধা দিচ্ছে তৃণমূল। তার প্রতিবাদ করায় বিজেপি কর্মীদের মারধর করার অভিযোগ ওঠে শাসকদলের বিরুদ্ধে।
স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব অভিযোগ তুলে ভোট বয়কটের ডাক দেয়। বিক্ষোভ, প্রতিবাদে রাস্তাতেই বসে পড়ে অবরোধ শুরু করেন। যদিও পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি সাময়িক সামাল দিলেও এখনও উত্তেজনা কমার খবর নেই।
এতদিন কাঁথি সমবায় ব্যাঙ্কের ক্ষমতায় শুভেন্দু অনুগামীরাই ছিলেন। অখিল গিরি কি সেখানে জায়গা করে নিতে পারবে, সেই লক্ষ্যেই ঘুঁটি সাজিয়েছে তৃণমূল।
কাঁথি সমবায় ভোটের কেন্দ্র হয়েছে রামনগর কলেজে। কড়া নিরাপত্তায় এই কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলছে। বিজেপি অবশ্য সে কথা উড়িয়ে দিয়ে দাবি করছে, তাদের দলের লোকদের বুথে ঢুকতেই দেওয়া হচ্ছে না। তৃণমূলের কর্মীরা ভোটার স্লিপ কেড়ে নিচ্ছেন। এখানেই শেষ নয়, বেছে বেছে বিজেপি কর্মীদের মারধরও করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। প্রতিবাদে বুথে যাওয়ার রাস্তায় অবরোধ শুরু করেন বিজেপি নেতৃত্ব।
অভিযোগ অস্বীকার করে রামনগরের তৃণমূল বিধায়ক তথা প্রাক্তন মন্ত্রী অখিল গিরির দাবি, 'এখানে কোনও অশান্তির খবর নেই। ভোট বানচাল করতে বিজেপি মরিয়া। জানে হেরে যাবে।' এদিন কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। বলেন, 'আমরা শান্তিপূর্ণ ভোট চাইছি। আদালতের নির্দেশ মোতাবেক বাহিনী এনে ইচ্ছাকৃত ঝামেলা করার চেষ্টা করছে বিজেপি।'
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে, কাঁথি ১,২,৩,৪ এবং এগরা ৮-এ ১৫জন করে কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং ৫০জন করে রাজ্য পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। লোকসভা নির্বাচনে এই জেলার দুটি আসনেই হারতে হয়েছে তৃণমূলকে। দীর্ঘদিন ধরে শুভেন্দু অধিকারীর অনুগামীদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে কাঁথি সমবায় ব্যাঙ্ক।