
প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 23 December 2024 14:08
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা ঘুরে বাংলায় ঢুকে পড়েছিল সে। বুধবার থেকে সুন্দরবন, কুলতলির বাসিন্দাদের ঘুম উড়িয়ে বর্তমানে পুরুলিয়ার রাইকা পাহাড় এলাকায়। বাঘিনী জিনাত নিয়ে আতঙ্ক এখনও বহাল রাজ্যে। কারণ তাকে এখনও ধরা যায়নি।
বন দফতরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা এখন পুরুলিয়ার রাইকা পাহাড় এবং সংলগ্ন কুইলাপালের জঙ্গল এলাকায় রয়েছেন। দিনরাত এক করে জিনাতের খোঁজ চালাচ্ছেন তাঁরা। জিপিএস-এর মাধ্যমে তাঁরা জানতে পেরেছেন রবিবারের পর অবস্থান পাল্টায়নি জিনাত। তাকে ধরতে ছাগলের টোপ দিয়ে সমতল এলাকায় একটি খাঁচা পাতা হয়েছে। তবে আপাতত সেই ফাঁদে পা দেয়নি দক্ষিণরায়। তবে বন দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, তাঁরা কোনও ত্রুটি রাখছে না বাঘিনী জিনাতকে ধরতে।
তিন বছরের জিনাতকে গত ১৫ নভেম্বর মহারাষ্ট্রের তাডোবা-আন্ধারি ব্যাঘ্র প্রকল্প থেকে ওড়িশার ময়ূরভঞ্জের সিমলিপাল ব্যাঘ্র প্রকল্পে (টাইগার রিজ়ার্ভ, সংক্ষেপে বা এসটিআর) আনা হয়েছিল। গত ২৪ নভেম্বর রেডিও কলার পরিয়ে তাকে সিমলিপাল ব্যাঘ্র প্রকল্পের জঙ্গলে ছাড়া হয়েছিল। তারপর থেকেই একাধিক রাজ্য ঘুরে বেড়াচ্ছে সে।
পুরুলিয়ার বন বিভাগের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, অত্যাধুনিক যন্ত্র ব্যবহার করে বাঘিনীকে খোঁজার চেষ্টা চলছে। আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। আশা করা হচ্ছে খুব দ্রুত তাকে ধরা সম্ভব হবে। কিন্তু জিনাতকে ধরতে এতটা কালঘাম ছুটছে কেন? বন দফতরের যুক্তি, 'শ্যাডো জোন' হওয়ার কারণে মাঝে মধ্যেই জিনাতের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন হচ্ছে যাচ্ছে। তাই সমস্যা হচ্ছে।
ইতিমধ্যে ঝাড়খণ্ডে বাঘের হানায় এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে। আর একজন জখম। জঙ্গল লাগোয়া লোকালয়ে বাঘ চলে আসায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন বাসিন্দারা। এখন পুরুলিয়ার রাইকা পাহাড় এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।