সপরিবারে অযোধ্যায় উদ্ধব থ্যাকারে, হাজার হাজার শিবসেনা সমর্থকও হাজির
দ্য ওয়াল ব্যুরো : শনিবার দুপুর পৌনে দুটোয় ফৈজাবাদ বিমান বন্দরে নামল শিবসেনা প্রধান উদ্ধব থ্যাকারের বিমান। তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী রেশমী ও ছেলে আদিত্য। বিমান বন্দর থেকে তাঁরা গাড়িতে চড়ে যান অযোধ্যায়।
এদিন সন্ধ্যায় সরযূ নদীর তীরে প্রার্থনা ক
শেষ আপডেট: 24 November 2018 09:04
দ্য ওয়াল ব্যুরো : শনিবার দুপুর পৌনে দুটোয় ফৈজাবাদ বিমান বন্দরে নামল শিবসেনা প্রধান উদ্ধব থ্যাকারের বিমান। তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী রেশমী ও ছেলে আদিত্য। বিমান বন্দর থেকে তাঁরা গাড়িতে চড়ে যান অযোধ্যায়।
এদিন সন্ধ্যায় সরযূ নদীর তীরে প্রার্থনা করবেন উদ্ধব। দুটি ট্রেনে মহারাষ্ট্র থেকে অযোধ্যায় এসেছেন শিবসেনার তিন হাজার সমর্থক। অশান্তির আশঙ্কায় টান টান নিরাপত্তার ব্যবস্থা হয়েছে অযোধ্যায় ও তার আশপাশে।
শিবসেনা বরাবরই রাম জন্মভূমি আন্দোলনের পুরোভাগে থেকেছে। কিন্তু দলের প্রধান উদ্ধব অযোধ্যায় এলেন এই প্রথমবার। কয়েকদিন আগে থেকে সেখানে রয়েছেন দলের অপর চার শীর্ষ নেতা সঞ্জয় রাউত, একনাথ সিন্ধে, রঞ্জন ভিচারে ও মুম্বইয়ের মেয়র বিশ্বনাথ মহাদেশ্বর। তাঁরা শীর্ষ নেতার সব প্রোগ্রামের জন্য প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছেন।
উদ্ধব এদিন যাবেন লক্ষণ কেল্লায়। সেখানে পুরোহিতদের সঙ্গে কথা বলবেন। তার পরে সরযূ নদীর তীরে প্রার্থনা জানাতে যাবেন। রবিবার তিনি রাম লালার পুজো দেবেন। অযোধ্যার মেয়র হৃষিকেশ উপাধ্যায় বলেন, রামলালার অস্থায়ী মন্দিরের কাছে উদ্ধব থ্যাকারে ও তাঁর সঙ্গীদের জন্য ১৩ টি পার্কিং স্লটের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে কোনোভাবেই তাঁদের জমায়েত করতে দেওয়া হবে না।
উদ্ধব পুনে থেকে শিবনেরি দুর্গের মাটি এনেছেন। মাটি ভর্তি পাত্র তুলে দেবেন রাম জন্মভূমির পুরোহিতের হাতে।

রবিবার অযোধ্যায় বিশ্ব হিন্দু পরিষদের পৃথক জমায়েত আছে। সেখানে দুলক্ষ সাধুসন্ত ও ভক্ত জড়ো হবেন বলে আশা করা হচ্ছে। ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বরও এই সংখ্যক করসেবক জড়ো করেছিল গেরুয়া ব্রিগেড। সেদিন বাবরি মসজিদের বিতর্কিত কাঠামোটি ভেঙে ফেলা হয়।
উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ যাদব সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানিয়েছেন, অযোধ্যায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রয়োজনে সেনাবাহিনী পাঠানো হোক। বিজেপি সুপ্রিম কোর্ট বা সংবিধান, কিছুতেই বিশ্বাস করে না। তারা সব কিছুই করে ফেলতে পারে।
স্থানীয় মুসলিমরাও হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলির কর্মসূচি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। শুক্রবার সঞ্জয় রাউত এমন একটি মন্তব্য করেছেন যার ফলে বেড়েছে উত্তেজনা। তিনি বলেন, বাবরি মসজিদ ভাঙতে ১৭ মিনিট লেগেছিল। অর্ডিন্যান্স আনতে কত সময় লাগবে? এ তো নিছক কতগুলো কাগজপত্রের ব্যাপার। রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে উত্তরপ্রদেশ, সব জায়গায় তো বিজেপি রয়েছে। এর বেশি কী চাই?
কট্টরপন্থী হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলি ভোটের আগে বিজেপির ওপরে চাপ সৃষ্টি করছে যাতে রামমন্দির নির্মাণের জন্য অর্ডিন্যান্স আনা হয়। সেই প্রসঙ্গেই সঞ্জয় রাউত ওই মন্তব্য করেছেন।
https://twitter.com/ANINewsUP/status/1066244994900639745