
শেষ আপডেট: 10 January 2020 18:30
পরে রাজভবনে ফের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে যান রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ, মুকুল রায়, রাহুল সিনহা প্রমুখ নেতারা। সূত্রের খবর, প্রধানমন্ত্রী সেই সংক্ষিপ্ত বৈঠকেও বলেন, আত্মবিশ্বাস অটুট রেখেই যেন প্রচার চালিয়ে যায় বিজেপি। তিনি এও বলেন, এনআরসি নিয়ে কোনও বিভ্রান্তি যেন তৈরি না হয়। আপাতত এনআরসি হচ্ছে না। তবে হ্যাঁ, এনপিআর তথা জনসংখ্যা নথিভুক্ত করার প্রক্রিয়া বাংলাতেও হবে। তা না হলে বাংলার মানুষই যে কেন্দ্রের অনুদান থেকে বঞ্চিত হতে পারেন সেকথাও বোঝাতে হবে।
পরে বিজেপির এক রাজ্য নেতা বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হয়তো ধারণা ছিল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করলে তিনি তৃণমূলের প্রতি নরম হবেন। দুর্নীতির বিরুদ্ধে তদন্তের গতি কমে যাবে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার পর তেমন কোনও আশঙ্কা আমাদের নেই। বরং প্রধানমন্ত্রী ঠারেঠোরে বুঝিয়ে দিয়েছেন, আইন তার নিজের পথেই চলবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে তদন্ত নিয়ে কোনও আপস হবে না।
বস্তুত সরকারি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এলেও প্রধানমন্ত্রীর বক্তৃতার পরতে পরতেও এদিন রাজনৈতিক কৌশলের ছোঁয়া ছিল। পরিষ্কার বোঝা যায় যে বাংলা ও বাঙালির আবেগকে ছুঁতে চাইছেন তিনি। হাওড়া ব্রিজের লাইট সাউন্ড ব্যবস্থার উদ্বোধন, বাংলার স্বাধীনতা সংগ্রামীদের জীবন নিয়ে সংগ্রহশালা তৈরি, রাজা রামমোহন রায়ের আড়াইশোতম জন্মজয়ন্তী উদযাপনের ঘোষণার মধ্যে সেই চেষ্টাই বারবার করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তা ছাড়া বেলুড় মঠে রাত্রিযাপনও কম তাৎপর্যপূর্ণ নয়।