Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনের

মদের দোকান খুলতে দেখেই খেপে উঠলেন বসিরহাটের মহিলারা, বন্ধ না করলে গুঁড়িয়ে দেওয়ার হুমকি

মহিলা স্বনির্ভর গোষ্ঠীর কার্যালয়ের পাশেই গড়ে উঠছে মদের কাউন্টার।

মদের দোকান খুলতে দেখেই খেপে উঠলেন বসিরহাটের মহিলারা, বন্ধ না করলে গুঁড়িয়ে দেওয়ার হুমকি

শেষ আপডেট: 28 October 2023 16:49

দ্য ওয়াল ব্যুরো: মহিলা স্বনির্ভর গোষ্ঠীর কার্যালয়ের পাশেই গড়ে উঠছে মদের কাউন্টার। গোপনে সেই খবর পেয়েই খেপে উঠলেন মহিলারা। অবিলম্বে এই দোকান বন্ধ না করা হলে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়ার হুমকিও দিলেন তাঁরা।

উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট মহকুমার স্বরূপনগর থানার সারাফুল গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৪৪ নম্বর বুথের ঘটনা। এলাকাটি ভারত ও বাংলাদেশের সীমান্তে। গ্রামের প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার মহিলাকে নিয়ে গড়ে উঠেছে মহিলা স্বনির্ভর গোষ্ঠী। দ্বীপ মহিলা সংঘ সমবায় নামের ওই স্বনির্ভর গোষ্ঠীর পাশেই তৈরি হচ্ছে মদের দোকানের নয়া বিল্ডিং। সেই খবর পেয়ে শনিবার এলাকায় জড় হয়েছিলেন গোষ্ঠীর কয়েক’শ মহিলা। হাতে মদ বিরোধী একাধিক প্ল্যাকার্ড।

দ্বীপ মহিলা সংঘ সমবায়ের সম্পাদিক অর্পিতা মণ্ডল বলেন, “আগেও এখানে মদের দোকান তৈরির চেষ্টা হয়েছিল। সেবারে প্রশাসনিকস্তরে অভিযোগ জানানোয় দোকান আর করা হয়নি। সম্প্রতি তলে তলে ফের দোকান তৈরির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পুজোর ছুটিতে সমবায় বন্ধ ছিল। সেই সুযোগে রাতারাতি বিল্ডিং তোলা হচ্ছে। খবর পেয়েই এদিন আমরা হাজির হয়েছিলাম।”

একই সঙ্গে তিনি বলেন, “আমাদের সমবায়ে সন্ধে সাতটা পর্যন্ত মেয়েরা কাজ করে। এখানে লোক বসে মদ খেলে এলাকার পরিবেশ নষ্ট হবে। আমরা এই জিনিস বরদাস্ত করব না। ভালভাবে বলছি, না শুনলে মেয়েরাই মদের দোকান গুঁড়িয়ে দেবে।”

সমবায় গোষ্ঠীর সদস্য সালমা বিবি বলেন, “কোনও অবস্থাতেই আমরা আমাদের সামাজিক পরিবেশ নষ্ট হতে দেব না। সেজন্য যা যা করতে হয় করব।” যেখানে এই মদের কাউন্টার তৈরি হচ্ছে তার পাশেই বাড়ি গ্রামবাসী সঞ্জয় দাসের। তিনি বলেন, “শোনা যাচ্ছে মদের কাউন্টার করা হচ্ছে। পাশেই আমার বাড়ি। তাছাড়া এখানে হাজার পাঁচেক মেয়ে কাজ করেন। আমরা গ্রামের কেউই চায় না এখানে মদের দোকান হোক।” এই বিষয়ে অবশ্য সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীর কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।


```