দ্য ওয়াল ব্যুরো : সোমবার ইন্দোনেশিয়ার যে বিমানটি সমুদ্রে ভেঙে পড়েছিল, তাতে গোলযোগ ধরা পড়েছিল আগেই। প্রশ্ন উঠেছে, বিমান সংস্থাটি কি জেনেশুনে একটি খারাপ বিমান যাত্রী পরিবহণের জন্য ব্যবহার করেছিল?
লায়ন এয়ারের সিইও এডওয়ার্ড সিরাইত দুর্ঘটনার পরে স্বীকার করেন, আগেরদিনই ওই বিমানে কিছু যান্ত্রিক গোলযোগ দেখা দিয়েছিল। কিন্তু যথাযথ নিয়ম মেনে তা সরিয়ে তোলা হয়। কিন্তু দুর্ঘটনা নিয়ে তদন্ত করতে গিয়ে দেখা যাচ্ছে, রবিবার সন্ধ্যায় বিমানে গুরুতর গোলযোগই দেখা গিয়েছিল। পরের দিন সেই বিমান ভেঙে পড়ে।
ফ্লাইটরেডার ২৪ নামে এক তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, রবিবার সন্ধ্যায় বালি দ্বীপের দেনপাসার থেকে বিমানটি জাকার্তা আসছিল। বিমানটি ওড়ার পরে মাত্র ২৭ সেকেন্ডের মধ্যে ৮৭৫ ফুট নেমে যায়। পাইলট কোনভাবে বিমানটি নির্দিষ্ট উচ্চতায় নিয়ে আসেন। কয়েকদিন আগেও বিমানটি ৩৬ হাজার ফুট উঁচু দিয়ে উড়েছিল। কিন্তু রবিবার পাইলট বিমানটি ২৮ হাজার ফুটের ওপরে তুলতে সাহস পাননি।
রবিবার ওই বিমানে যাঁরা যাত্রী ছিলেন, তাঁদের দুজন ইনস্টাগ্রামে অভিযোগ করেছেন, প্লেনের এয়ার কন্ডিশনিং ব্যবস্থা ঠিক ছিল না। আলোর ব্যবস্থাও ছিল না যথাযথ। প্লেন ছেড়েছিল তিন ঘন্টা লেটে।
যাত্রীরা প্রশ্ন তুলেছেন, পয়সা দিয়ে টিকিট কেটেও এমন ভোগান্তি সহ্য করতে হবে কেন?
ইন্দোনেশিয়ার ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্ট সেফটি কমিটি ডেপুটি চিফ হারিয়ো সাতমিকো বলেন, দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানে যান্ত্রিক গোলযোগ ছিল। রবিবারই এয়ারস্পিড রিডিংয়ে ভুলভাল দেখিয়েছিল। সোমবার কেন দুর্ঘটনা হয়েছিল, খতিয়ে দেখা হচ্ছে।