
শেষ আপডেট: 1 July 2023 14:35
দ্য ওয়াল ব্যুরো: লিম্ফ্যাটিক ফাইলেরিয়া (lymphatic filariasis) বা এলিফ্যান্টাসিয়াসিস রোগের ঝুঁকি বাড়ছে দেশে। চলতি কথায় এই রোগকে বলে গোদ। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ (আইসিএমআর) জানাচ্ছে, দেশের ৩৩৬টি জেলায় গোদ রোগের ঝুঁকি বাড়ছে।
মাইক্রো ফাইলেরিয়া নামে এক পরজীবী ফাইলেরিয়া রোগের জন্য দায়ী। এই পরজীবী স্ত্রী কিউলেক্স মশার কামড়ের মাধ্যমে অসুস্থ ব্যক্তির দেহ থেকে সুস্থ ব্যক্তির দেহে সংক্রামিত হয়ে থাকে। এই রোগে শারীরিক বিকৃতি হয়। সাধারণভাবে ‘গোদ’ নামে পরিচিত এই রোগের জেরে সাধারণত বারবার জ্বর হয়, হাত-পা ফুলে ওঠে ও যন্ত্রণা হয়। ভারতের ১৫ টি রাজ্য ও ৫ টি কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল ফাইলেরিয়া প্রবণ বলে চিহ্নিত।

হাত ফোলা, পা ফোলা, হাইড্রোসিল এই রোগের ফলেই হয়ে থাকে। কিউলেক্স মশা এই রোগটির জীবাণুর বাহক। তবে ধারক মানুষ। রোগের প্রকাশে মূল ভূমিকা থাকে এক প্রকার কৃমির। আইসিএমআর জানাচ্ছে, কৃমিগুলো মশার দেহে প্রবেশের পর আস্তে আস্তে বড় হতে থাকে। যখন আক্রান্ত মশা অপর কোনো সুস্থ মানুষকে কামড়ায়, তখন জীবাণু ওই সুস্থ মানুষের শরীরে ঢুকে যায়। পরবর্তীতে রক্তস্রোতের মাধ্যমে লসিকাগ্রন্থিতে গিয়ে পৌঁছয়। ফলে লসিকাগ্রন্থি ফুলতে শুরু করে। একে লিম্ফোএডেমা বলে।
জাতীয় সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির আওতায় ফাইলেরিয়া নির্মূলের জন্য এখন দেশ জুড়েই অভিযান চালানো হচ্ছে। লক্ষ্য আগামী কয়েক বছরের মধ্যে এই রোগ নির্মূল করা।