
শেষ আপডেট: 13 April 2023 04:14
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড (fire) কলকাতার এক প্রিন্টিং কারখানায় (printing press)! অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু হল বাবা ও বড় ছেলের। জানা গিয়েছে, আর এক ছেলে এইমুহূর্তে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিত্তরঞ্জন ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। কীভাবে এই আগুন লাগল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব কলকাতার তিলজলা (Tiljala) এলাকায়।
জানা গিয়েছে, তপসিয়া রোডের ওই কারখানায় জুতোতে প্রিন্টিংয়ের কাজ হয়। আজ সকাল সাড়ে ৬টা নাগাদ আগুন লাগে সেখানে। স্থানীয়দের বক্তব্য, ওই কারখানায় দীর্ঘদিন ধরেই প্রিন্টিংয়ের কাজ চলে। মৃত বাবার নাম মহম্মদ জসিম ও তাঁর বড় ছেলে মহম্মদ আমির। গতকাল গভীর রাত অবধি কাজ করার পর জসিম ও তাঁর ছেলেরা কারখানার ভিতরেই ঘুমিয়ে পড়েছিলেন।
বৃহস্পতিবার ভোরে স্থানীয় বাসিন্দারাই লক্ষ্য করেন যে, ওই কারখানার সামনে গ্রাউন্ড ফ্লোর থেকে গলগল করে ধোঁয়া বেরোচ্ছে। দেখা যায়, ভিতরে আগুন লেগে গিয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে তাঁরা আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন। কোনওভাবে উদ্ধার করে বের করা হয় জসিমের ১৫ বছর বয়সি ছোট ছেলেকে। তার হাত-পা ঝলসে গিয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু জসিম ও তাঁর বড় ছেলে আমিরকে কারখানার ভিতর থেকে বার করা সম্ভব হয়নি। যেহেতু প্রিন্টিং প্রেস, তাই ভিতরে প্রচুর পরিমাণে রাসায়নিক দ্রব্য মজুত ছিল। ফলত আগুন ভিতরে ছড়িয়ে পড়ে।
যেহেতু ঘিঞ্জি এলাকা, তাই আগুন দ্রুত বাইরে ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা ছিল। তবে স্থানীয় মানুষজন এবং দমকল কর্মীদের তৎপরতায় তেমনটা হয়নি। যদিও এলাকাবাসীদের দাবি, দমকলকে অনেক আগে খবর দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তাঁরা অনেক দেরি করে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। তবে কর্মীরা বলছেন, কারখানাটি ঘিঞ্জি এলাকার ভিতরে হওয়ায় সেখানে পৌঁছতে বেশ বেগ পেতে হয়েছে। ৪টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। দমকল কর্মীরা জানাচ্ছেন, পরিস্থিতি এখন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে। তবে কোথাও পকেট ফায়ার রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
বিবিরহাটের কাছে মর্মান্তিক ঘটনা! নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছে ধাক্কা বাইকের, মৃত ২ বন্ধু