Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

কোভিড সারাতে যক্ষ্মার টিকায় ভরসা, সংক্রমণ রুখতে পারে, মৃত্যুর ঝুঁকি কমায়, দাবি জেএনইউ-র

দ্য ওয়াল ব্যুরো: যক্ষ্মার টিকায় কোভিড-১৯ সংক্রমণও কমতে পারে, এমন দাবি করেছিলেন মার্কিন বিজ্ঞানীরা। যক্ষ্মা (Tuberculosis) প্রতিরোধক  ‘ব্যাসিলাস ক্যালমেট গেরান’ (বিসিজি)করোনাভাইরাসের সংক্রমণ কমাতে কতটা উপযোগী হতে পারে, এই নিয়ে গবেষণাও চলছে ব

কোভিড সারাতে যক্ষ্মার টিকায় ভরসা, সংক্রমণ রুখতে পারে, মৃত্যুর ঝুঁকি কমায়, দাবি জেএনইউ-র

শেষ আপডেট: 13 July 2020 18:30

দ্য ওয়াল ব্যুরো: যক্ষ্মার টিকায় কোভিড-১৯ সংক্রমণও কমতে পারে, এমন দাবি করেছিলেন মার্কিন বিজ্ঞানীরা। যক্ষ্মা (Tuberculosis) প্রতিরোধক  ‘ব্যাসিলাস ক্যালমেট গেরান’ (বিসিজি)করোনাভাইরাসের সংক্রমণ কমাতে কতটা উপযোগী হতে পারে, এই নিয়ে গবেষণাও চলছে বিশ্বজুড়ে। এবার আশার কথা শোনালেন ভারতীয় ও মার্কিন বিজ্ঞানীরা। দাবি কোভিড সংক্রমণের ফলে যে কোনও জটিল রোগ সারাতে পারবে বিসিজি ভ্যাকসিন, কমাবে মৃত্যুহার। দিল্লির জওহরলাল নেহুরু ইউনিভার্সিটির (জেএনইউ)গবেষকরা এমনই দাবি করেছেন। জেএনইউ-র গবেষকরা বলেছেন, বিসিজি স্ট্রেনের সঙ্গে পাস্তুর ও জাপানের থেকে আনা ভাইরাল স্ট্রেনের মিশ্রণ ঘটিয়ে তাঁরা কোভিড প্রতিরোধী ভ্যাকসিন তৈরি করেছিলেন। সেই ভ্যাকসিনের ক্লিনিকাল ট্রায়ালে সুফল মিলেছে। গবেষকরা দাবি করেছেন, যাদের ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছিল তাদের শরীরে কোভিড সংক্রান্ত জটিল রোগ হওয়ার ঝুঁকি কম। বিসিজি টিকায় শরীরে এমনভাবে রোগ প্রতিরোধ গড়ে উঠছে যে সংক্রমণজনিত কারণে মৃত্যুহার কমার আশাও দেখা যাচ্ছে। সেল ডেথ অ্যান্ড ডিজিজ সায়েন্স জার্নালে এই ট্রায়ালের রিপোর্ট সামনে এনেছে জেএনইউ। জেএনইউ-এর সেন্টার ফর মলিকিউলার মেডিসিনের চেয়ারম্যান গোবর্ধন দাস জানিয়েছেন, বিশ্বজুড়ে ১০ কোটির বেশি শিশুকে বিসিজি ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। এই টিকা এমনিতেই শরীরে যে কোনও সংক্রামক রোগ প্রতিরোধী ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারে। কোভিড সংক্রমণের মোকাবিলায় নতুনভাবে যে টিকা তৈরি করা হয়েছে তা ইমিউন সিস্টেমকে আরও মজবুত করে তুলবে। ভারত ছাড়াও চিন, ইন্দোনেশিয়া, ব্রিটেন, ইতালি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডে বিসিজি ভ্যাকসিনের ক্লিনিকাল ট্রায়ালে সুফল দেখা গেছে বলে জানিয়েছেন তিনি। ছ’রকমের বিসিজি স্ট্রেন নিয়ে এই টিকা তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন গবেষক গোবর্ধন দাস। যার মধ্যে বিসিজি পাস্তুর, বিসিজি টোকিও, বিসিজি ড্যানিশ, বিসিজি রাশিয়ার স্ট্রেন থেকে তৈরি ভ্যাকসিন আশা জাগিয়েছে বলে দাবি। ভারতে সব স্ট্রেনের কম্বিনেশনে টিকা তৈরি হয়েছে। যে কোনও ভাইরাল প্রোটিনের মোকাবিলা করতে সক্ষম এই টিকা। দিল্লির জেএনইউ-এর মতো মার্কিন বিজ্ঞানীদের ক্লিনিকাল ট্রায়ালের রিপোর্টেও বলা হয়েছে বিসিজি ভ্যাকসিন যে কোনও সংক্রামক রোগের মোকাবিলা করতে পারে। কোভিডে মৃত্যুর ঝুঁকিও কমাতে পারে। ন্যাশনাল অ্যাকাডেমি অব সায়েন্স থেকে প্রকাশিত জার্নালে এই গবেষণার রিপোর্ট সামনে এনেছেন মার্কিন বিজ্ঞানীরা। ১৯১৯ সালে প্যারিসের পাস্তুর ইনস্টিটিউটে যক্ষ্মা রোগের এই প্রতিষেধকটি আবিষ্কার করেন ক্যামিল গেরান ও অ্যালবার্ট ক্যালমেট। ১৯২১ সালে প্রথম এই ভ্যাকসিন মানুষের উপরে প্রয়োগ করা হয়। বিজ্ঞানীরা বলছেন, যক্ষ্মা রোগ প্রতিরোধই নয়, এই ভ্যাকসিন শিশু মৃত্যুর হারও কমায়। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলে। টিউবারকিউলোসিস ব্যাকটেরিয়ার সংক্রামক স্ট্রেনগুলোকে অকেজো করতে পারে এই ভ্যাকসিন। এই ভ্যাকসিনের প্রয়োগে শরীরে এমন অ্যান্টিবডি তৈরি হয় যা টিউবারকিউলোসিস ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে শক্তপোক্ত প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলে। ‘নিউ ইয়র্ক ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি-র বিজ্ঞানী গোঞ্জালো ওতাজু দাবি করেছেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণে কতজনের মৃত্যু হচ্ছে ও কতজন আক্রান্ত তার সঙ্গে গভীর সম্পর্ক আছে বিসিজি ভ্যাকসিনের। তাঁর দাবি, আমেরিকা ও ইতালিতে এই ভ্যাকসিনের ব্যবহার নেই বা কম, তাই এই দুই দেশে সংক্রমণে মৃত্যুর হার অনেক বেশি। অন্যদিকে, ফ্রান্স, ব্রিটেন, স্পেন, জার্মানি আগে এই ভ্যাকসিন ব্যবহার করলেও পরে বন্ধ করে দেয়। তাই সেইসব দেশেও সংক্রামিতের সংখ্যা বেড়ে চলেছে। জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া করোনাকে কাবু করতে পেরেছে, কারণ তাদের দেশে বিসিজি ভ্যাকসিনের প্রয়োগ আছে।

```