.jpeg)
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
শেষ আপডেট: 23 November 2024 12:20
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শীতের মরসুমেও বাজারে আলু বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ৩৫ টাকা, ৪০ টাকা! বৃহস্পতিবার নবান্নের বৈঠক থেকে এব্যাপারে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধানকে বলতে শোনা গিয়েছিল, আমরা উৎপাদনে স্বনির্ভরশীল, চাষের জন্য় সার থেকে ইনসিওরেন্স সব দেব, তারপরও রাজ্যের মানুষকে বেশি টাকা দিয়ে আলু কিনতে হবে কেন? রাজ্যের চাহিদা পূরণ না করে কেন বাড়তি মুনাফার জন্য বাইরের রাজ্যে আলু পাঠানো হবে।
মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে আপাতত ভিন রাজ্যে আলু পাঠানো বন্ধ হয়েছে। একই সঙ্গে আলু, পিঁয়াজ-সহ সবজির মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে শুক্রবার থেকে কলকাতা-সহ রাজ্যের বাজারগুলিতে অভিযানে নেমেছেন টাস্কফোর্সের কর্মীরা। আর তারপরই বাজারে গিয়ে ক্রেতাদের নজিরবিহীন প্রশ্নের মুখেও পড়তে হচ্ছে তাঁদের।
সূূত্রের খবর, এদিন সকালে মেদিনীপুরের রাজবাজারে অভিযানে গিয়েছিলেন টাস্ক ফোর্সের কর্তারা। তাঁদের দেখে কয়েকজন ক্রেতা রীতিমতো ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "বাজারে অতিরিক্ত দাম নেওয়া হচ্ছে কিনা, এটা দেখা তো আপনাদের ডিউটির মধ্যেই পড়ে। তাহলে প্রতিবারে মুখ্যমন্ত্রী বলার পর কেন আপনাদের টনক নড়ে?"
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এহেন প্রশ্নবাণের মুখে পড়ে দৃশ্যতই বিব্রত হন টাস্ক ফোর্সের কর্তারা। এখন থেকে নিয়মিত অভিযানের আশ্বাসও দেন। কর্মী সঙ্কটের কথাও বলেন।
এদিন বর্ধমান, বহরমপুর-সহ রাজ্যের একাধিক বাজারেও অভিযান চালাতে দেখা গিয়েছে টাস্ক ফোর্সের কর্তাদের। নজরদারি চলেছে মানিকতলা, কোলে মার্কেট-সহ কলকাতার বাকি বাজারগুলিতেও। বিক্রেতারা অবশ্য জানান, জোগান এবং চাহিদার ওপর নির্ভর করেই দাম ঠিক হয়। ফলে বাড়তি টাকা নেওয়ার প্রশ্নই নেই।
নবান্নের বৈঠক থেকে বাইরের রাজ্যে আলু পাঠানো বন্ধের নির্দেশও দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রশাসনিক প্রধানের সেই নির্দেশ মেনে রাজ্যের সীমান্তে চেকিং করা হচ্ছে প্রতিটি গাড়ি। আলুর গাড়ি থাকলে তাকে ফেরৎ পাঠানো হচ্ছে। সতকও করা হচ্ছে।