বাবার নাম না থাকায় এসআইআর ফর্মে দাদুর নাম ম্যাপিং করান সুস্মিতা দেবী। কিন্তু দাদুর সঙ্গে মাত্র ৪০ বছরের ফারাক দেখিয়ে শুনানির নোটিস ধরানো হয়েছে তাঁকে।

শেষ আপডেট: 15 January 2026 14:03
দ্য ওয়াল ব্যুরো, হুগলি: তারকেশ্বরে নিজের স্ত্রীকে শুনানির নোটিস ধরালেন বিএলও। তারকেশ্বর পুরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা রাজশেখর মজুমদার ও সুস্মিতা মজুমদার। তারকেশ্বর বিধানসভার ২৪৮ নম্বর বুথের বিএলও রাজশেখর। বৃহস্পতিবার স্ত্রী সুস্মিতা মজুমদারকে শুনানির নোটিস ধরালেন তিনি। আগামীকাল শুনানি।
সুস্মিতার বাবা সুব্রত চট্টোপাধ্যায় সেনাবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন। ২০০২ এর ভোটার তালিকায় তার নাম ছিল না। ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম ছিল দাদু ভুপেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের। দাদুর ভোটার কার্ডের তথ্য বলছে তিনি ১৭৭ নম্বর জাঙ্গিপাড়া বিধানসভার বুথ নম্বর ১০৪, ক্রমিক নম্বর ১৭০ এর ভোটার। ভোটার আই ডি নং WB/26/177/309155।
বাবার নাম না থাকায় এসআইআর ফর্মে দাদুর নাম ম্যাপিং করান সুস্মিতা দেবী। কিন্তু দাদুর সঙ্গে মাত্র ৪০ বছরের ফারাক দেখিয়ে শুনানির নোটিস ধরানো হয়েছে তাঁকে। ২০০২ এর তালিকায় দাদু ভুপেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বয়স উল্লেখ করা আছে ৮১ বছর। বর্তমানে বেঁচে থাকলে তাঁর বয়স হতো প্রায় ১০৫। তিনি প্রয়াত হয়েছেন ২০১০ সালে। বর্তমানে সুস্মিতাদেবীর বয়স ৩৭ বছর। এই হিসাব ধরলে বয়সের ফারাক ৬৫ বছর হওয়ার কথা তাহলে কেন তিনি শুনানিতে ডাক পেলেন ?
বিএলও রাজশেখর মজুমদার বলছেন, "বিএলও দের এখানে কোনও গাফিলতি নেই। নির্বাচন কমিশনের গাফিলতির ফলে ভুগতে হচ্ছে সাধরণ মানুষকে এবং হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। আমি আমার স্ত্রীকেই শুনানির সমন দিয়েছি। অথচ তাঁর ম্যাপিং এ সব ঠিক ছিল।"