
নিহত কংগ্রেস কাউন্সিলর তপন কান্দু। ফাইল চিত্র
শেষ আপডেট: 12 November 2023 16:37
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ঝালদা পুরসভার কংগ্রেস কাউন্সিলর তপন কান্দুর কথা এখনও ভুলে যাননি অনেকেই। নির্বাচবের ফল প্রকাশের পরপরই খুন হয়ে যান তপন। প্রয়াত কংগ্রেস কাউন্সিলরের খুনের অভিযোগে ধৃত অন্যতম অভিযুক্ত সত্যবান প্রামাণিকের মৃত্যু হয় জেলেই। পুলিশ সূত্রে খবর, রবিবার সকালে পুরুলিয়ার সংশোধনাগারের মধ্যেই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন সত্যবান। তড়িঘড়ি তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।
পুরুলিয়ার পুরভোটে ঝালদায় কংগ্রেস প্রার্থী হয়েছিলেন তপন কান্দু। তাঁর বিপক্ষে তৃণমূলের প্রার্থী ছিলেন তাঁরই ভাইপো দীপক কান্দু। সেই নির্বাচনে ভাইপোকে হারিয়ে দিয়ে জয়ী হন তপন। কিন্তু গতবছর ১৩ মার্চ পুরবোর্ড গঠনের ঠিক আগেই দুষ্কৃতীদের গুলিতে খুন হন তিনি। এরপর সেই খুনের তদন্ত নিয়ে বিস্তর জলঘোলা শুরু হয়।
প্রাথমিকভাবে ওই খুনের ঘটনার তদন্ত শুরু করে রাজ্য পুলিশের স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম (সিট)। যদিও তদন্তে খুশি ছিলেন না মৃত তপনের পরিবার। হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন তাঁরা। হাইকোর্ট এই ঘটনার তদন্ত সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেয়। মামলার তদন্তে নেমে একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। তাঁদের মধ্যে যেমন ছিলেন তপনের ভাইপো দীপক কান্দু, তেমনই ছিলেন এই সত্যবানও।
কে এই সত্যবান? সিবিআই আদালতে জানিয়েছিল, সত্যবানের একটি হোটেল ছিল। তপনকে খুন করার ছক ওই হোটেলে বসেই হয়েছিল। ভাড়া করে আনা হয়েছিল একজন শ্যুটারকেও। সেও ওই হোটেলে উঠেছিল বলে দাবি সিবিআইয়ের। তপনের খুনের সঙ্গে যোগ থাকার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় সত্যবানকে।
কীভাবে সত্যবানের মৃত্যু হল সে ব্যাপারে জেলা পুলিশ মুখ খোলেনি। শুধু জানিয়েছে, বিষয়টি সিবিআইয়ের তদন্তের অধীন। সত্যবান অসুস্থ ছিলেন। তাঁর দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।