.jpeg)
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শুভেন্দু অধিকারী।
শেষ আপডেট: 19 February 2025 14:31
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের আদলে দিঘায় মন্দির বানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুরী ধামকে অপমান করেছেন বলে আগেই অভিযোগ করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। উদ্বোধনের দিন মন্দির চত্বরে নিজে দাঁড়িয়ে থেকে প্রতিবাদ জানাবেন বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা।
মঙ্গলবার বিধানসভা থেকে নাম না করে বিরোধী দলনেতাকে হুঁশিয়ারি দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "সাহস থাকলে বুকের পাটা থাকলে আটকে দেখান।" বুধবার দুপুরে এ প্রসঙ্গে টুইটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন বিরোধী দলনেতা।
টুইটে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে শুভেন্দু লিখেছেন, "আপনি আমার বুকের পাটা সংক্রান্ত মন্তব্য করার ঔদ্ধত্য দেখিয়েছেন, তাই আমিও আপনাকে পাল্টা চ্যালেঞ্জ করছি, যদি বুকের পাটা থাকে...!"
এরপরে মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে দু'টি চ্যালেঞ্জ ছুড়েছেন বিরোধী দলনেতা। এক: 'আজই নির্দেশ দিন যে, সরকারি অর্থ ব্যয় করে, সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সমস্ত সরকারি নথিতে "জগন্নাথ ধাম সংস্কৃতি কেন্দ্র" শব্দবন্ধটি ব্যবহার করা হয়েছে, তা বদলে "শ্রীশ্রী জগন্নাথ মন্দির" করে দেওয়া হোক। WBHIDCO এর টেন্ডার ও ওয়ার্ক অর্ডারের নথি, যা আমি সংযুক্ত করেছি, সেখানে যেন এই পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়।'
মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মহাশয়া, গতকাল বিধানসভায় আপনি দিঘার জগন্নাথ 'মন্দির' নিয়ে আমাকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়েছেন ও আমার "বুকের পাটা" সংক্রান্ত মন্তব্য করার ঔদ্ধত্য দেখিয়েছেন।
— Suvendu Adhikari (@SuvenduWB) February 19, 2025
যেহেতু আপনি দাবি করছেন যে, সনাতন ধর্মের অন্যতম পীঠস্থান; পুরীর জগন্নাথ ধামের অনুকরণ করে… pic.twitter.com/y0xBqgoc8v
গত বিধানসভা ভোটে নন্দীগ্রামে মুখ্যমন্ত্রীকে হারানোর কথা মনে করিয়ে শুভেন্দু এই চ্যালেঞ্জও ছুড়েছেন, 'আপনিও নির্দেশ দিন উৎকলের শ্রীক্ষেত্র; পুরীর জগন্নাথ ধামের মতোই দিঘাতেও 'মন্দিরের' প্রধান দ্বারের পাশে ফলক লাগানো থাকবে যে "হিন্দু ব্যতীত অন্য কোনও ধর্মাবলম্বী মানুষজনের প্রবেশাধিকার নিষেধ। চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করুন ও এই দুটি কাজ করে দেখান, তবে বুঝব যে আপনার "বুকের পাটা" আছে এবং চাপে পড়ে 'বক ধার্মিক' সাজছেন না।'
প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার বিধানসভা থেকে নাম না করে শুভেন্দুকে বক ধার্মিক বলে কটাক্ষ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, 'বক ধার্মিকদের কথায় আমি বাংলার মাটিকে অসম্মানিত হতে দেব না'।
পর্যবেক্ষকদের অনেকের মতে, বিধানসভা ভোট পর্যন্ত শাসক-বিরোধীর মধ্যে এই শঠে শাঠ্যং চলবে।