
শেষ আপডেট: 20 February 2024 14:24
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শেষ পর্যন্ত সন্দেশখালি পৌঁছলেন শুভেন্দু অধিকারী। আর সেখানে গিয়েই 'শাহজাহান ফিনিশ' বলে স্লোগান তুললেন। এলাকার বাসিন্দাদের আশ্বাস দিলেন, ''আপনারা পাশে থাকুন। সন্দেশখালির সবকিছু পরিবর্তন হবে।'' কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ পাওয়ার পর এদিনই শুভেন্দু অধিকারী এবং শঙ্কর ঘোষ পৌঁছলেন সন্দেশখালিতে।
বৃহস্পতিবার প্রথম সন্দেশখালিতে ঢুকতে বাধা পান শুভেন্দু অধিকারী। ওইদিন জায়গায় জায়গায় ব্যারিকেড তৈরি করেছিল পুলিশ। রামপুরে তাঁদের আটকে দেয় পুলিশ। এসডিপিও আমিনুল ইসলাম জানান, ১৪৪ ধারা জারি আছে। তাঁরা ওখানে গেলে নতুন করে অশান্তি তৈরি হতে পারে। কোনওরকম গন্ডগোল হতে দেওয়া যাবে না। আদালত ১৪৪ ধারা বাতিল করার পরেও ফের পুলিশ ১৪৪ ধারা জারি করে তাঁর পথ আটকেছে বলে অভিযোগ করে বিচারপতি কৌশিক চন্দের এজলাসে শুক্রবার মামলা দায়ের করেন শুভেন্দু। সোমবার এই মামলার শুনানিতে তাঁর সন্দেশখালি ঢোকায় কোনও বাধা নেই বলে জানায় হাইকোর্ট। আজ মঙ্গলবার সেই রায়েই শুভেন্দু সন্দেশখালি রওনা হলে ফের ধামাখালিতে তাঁকে আটকে দেয় পুলিশ। জানানো হয় সোমবারের রায়ের বিরুদ্ধে ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন করেছে রাজ্য।
কিন্তু শেষ পর্যন্ত শুভেন্দু অধিকারীকে সন্দেশখালি যাওয়ার অনুমতি দেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ। আদালত জানায়, শুভেন্দু অধিকারী এবং শঙ্কর ঘোষ সন্দেশখালি যেতে পারবেন। তবে যেতে হবে কেবলমাত্র তাঁদের দুজনকেই। কাটে বাধা। এরপরেই ধামাখালি থেকে টোটোতে চেপে সন্দেশখালি রওনা হন শুভেন্দু অধিকারী ও বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। টোটোয় বসেই শুভেন্দু বলেন, “এলাকার মানুষ শান্তি চায়। শেখ শাহজাহানের ফাঁসি চায়। শাহজাহানের পালানোর উপায় নেই।”
সন্দেশখালিতে ঢোকার পরেই গ্রামের মহিলারা ফুল ছিটিয়ে অভ্য়র্থনা জানান তাঁকে। এলাকার মানুষের সঙ্গে কথা বলতে পাড়ায় পাড়ায় পরিদর্শন শুরু করেন তিনি। পাত্রপাড়ায় এক নির্যাতিতার বাড়ির সিঁড়িতে বসেই কথা বলেন মহিলাদের সঙ্গে। তাঁদের ভয় না পেয়ে শক্ত হওয়ার পরামর্শ দেন। প্রয়োজনে গ্রামের মানুষ যেন তাঁর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করে সেইজন্য নিজের ফোন নম্বরও দেন তাঁদের।