
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শুভেন্দু অধিকারী
শেষ আপডেট: 30 September 2024 15:38
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আরজি করে মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন তাঁরা। পাশাপাশি 'থ্রেট কালচার' নিয়ে সরব হয়েছেন তাঁরা। এরই মধ্যে এক রোগী মৃত্যুর ঘটনায় সাগর দত্ত হাসপাতালে হামলা চালিয়েছে মৃত রোগীর আত্মীয়রা। গায়ে হাত তোলা হয় মহিলা ডাক্তারদের গায়েও। যা নিয়ে পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকায় আস্থা হারাচ্ছেন চিকিৎসকরা। এ সবের বিরুদ্ধেই ফের পথে নামছেন তাঁরা।
১লা অক্টোবর বিকেল ৫টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত এই মিছিলের কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। মিছিল শুরু হবে কলেজ স্কোয়্যার থেকে। রবীন্দ্রসদন পর্যন্ত এই মিছিলের অনুমতি আগেই দিয়েছে পুলিশ। কিন্তু বৌবাজার, হেয়ার স্ট্রিট, এবং ট্রাফিক হেড কোয়াটার তিনটি থানার অন্তর্গত কেসি দাস থেকে ভিক্টোরিয়া হাউস পর্যন্ত ৫০মিটার রাস্তা ১৪৪ ধারা জারি থাকায় সেখানে মিছিল করা যাবে না বলে বলা হয়েছিল।
ইতিমধ্যেই মিছিলের অনুমতি দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। বারবার অভিযোগ উঠছে ডাক্তারদের আন্দোলন দাবিয়ে রাখতে চাইছে রাজ্য সরকার। এ ব্যাপারেই এবার সরব বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
শুভেন্দুর কথায়, 'এ ব্যাপারে কেউ যদি যেচে চড় খেতে চায় তো খাবে। সুপ্রিম কোর্ট তো আগেই বলে দিয়েছিল, ডাক্তারদের কেন যে কোনও শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকে বাধা দিতে সরকার পারবে না। এর আগে ছাত্র সমাজের নবান্ন অভিযানও আটকাতে গেছিল। সুপ্রিম কোর্ট তো শোনেইনি, ডিভিশন বেঞ্চ তো গ্রাহ্যই করেনি। স্বাভাবিক ভাবে রাজ্য সরকার এসব করতে যায়। যদি লেগে যায়। ফাটকা খেলতে যায়।'
তৃণমূলের বিধায়ক শওকাত মোল্লাও এর আগে পুলিশের ওপর অনাস্থা প্রকাশ করে বলেছিলেন, হাতে লাঠি ঝাঁটা তুলে নিতে হবে। এ ব্যাপারে শুভেন্দুর বক্তব্য, বিধায়ক বাজার গরম করার জন্য এসব বলছেন। তাঁর কথায়, 'পুলিশকে বাদ দিলে ওদের কিচ্ছু নেই।'
তিনি বলেন, 'আরজি কর, সাগর দত্ত তারপর ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজে ডাক্তারদের ওপর নিগ্রহ হয়েছে। সব সমস্যার মূলে রয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওঁকে প্রাক্তন না করা হলে কোনও সমস্যা মিটবে না। কারণ পুলিশের যে কাজ করার কথা সেটা তারা করে না। পুলিশ দলের কাজ করে টাকা তোলে।'
অন্যদিকে সদ্য কেন্দ্রের তরফে ঘোষণা করা হয়েছে দাদা সাহেব ফালকে সম্মান পাচ্ছেন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। এ ব্যাপারে বিরোধী দলনেতা বলেন, যোগ্য লোককে যোগ্য পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘ সময় গেল। মোদীজির সরকার সঠিক ব্যক্তিকেই পুরস্কৃত করে। বল্লভভাই প্যাটেল থেকে শুরু করে প্রণব মুখোপাধ্যায় সকলকেই যোগ্য সম্মান দেওয়া হয়েছে। এঁদের নামের সঙ্গে যে মিঠুন চক্রবর্তী, বাংলা তথা কলকাতার নাম উজ্জ্বল হল। তাছাড়াও আমি যে দল করি সেই দলের উনি একজন শুভ চিন্তকও বটে। যে কারণে আমি অত্যন্ত আনন্দিত।'