স্কুলে যাতায়াতের ক্ষেত্রে নিরাপত্তায় বিস্তর ফারাক, সমীক্ষায় চাঞ্চল্যকর তথ্য
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত দেড় বছর স্কুল (School) বন্ধ, কিন্তু তার আগে পর্যন্তও প্রায় প্রতিদিনই সংবাদের শিরোনামে উঠে আসত স্কুল বাস বা ভ্যান দুর্ঘটনার খবর। যা নিয়ে রীতিমতো চিন্তায় থাকেন পরিবাররা। কিন্তু বাস-ভ্যান ছাড়া উপায়ও নেই। তাই ঝুঁকি নিয়েই বাচ
শেষ আপডেট: 7 October 2021 17:03
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত দেড় বছর স্কুল (School) বন্ধ, কিন্তু তার আগে পর্যন্তও প্রায় প্রতিদিনই সংবাদের শিরোনামে উঠে আসত স্কুল বাস বা ভ্যান দুর্ঘটনার খবর। যা নিয়ে রীতিমতো চিন্তায় থাকেন পরিবাররা। কিন্তু বাস-ভ্যান ছাড়া উপায়ও নেই। তাই ঝুঁকি নিয়েই বাচ্চাদের পাঠান অভিভাবকরা। তবে তাতেও কি হুঁশ ফিরেছে বাস-ভ্যান মালিকদের?
স্কুল বাস-ভ্যানে নিরাপত্তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছে সম্প্রতি প্রকাশিত একটি রিপোর্ট (Report)। একটি বেসরকারি সংস্থা সারা দেশে ১২ হাজার শিশু ও অভিভাবকদের মধ্যে সমীক্ষা (Survey) চালায়। দেশের সব সব বড় শহরের মধ্যে এই সমীক্ষা চালানো হয়। কলকাতা, দিল্লি, মুম্বই, পাটনা, ভোপাল সহ ১৪টি শহরে চলে সমীক্ষা। সেখানে প্রায় ৪৭ শতাংশ মানুষ জানায় বাসে কোনও সিট বেল্ট নেই। এমনকি ৩০ শতাংশ বাচ্চা জানায় যে তারা অন্তত একবার দুর্ঘটনার মধ্যে পড়েছে।
কলকাতার মধ্যে ৫৬ শতাংশ মানুষের কাছে অজানা যে গাড়িতে গতি সীমা গাড়িতে দেখা যায় কিনা। তাতে গাড়ির গতির ওপর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে উদ্বিগ্ন অভিভাবকরা। মুম্বইয়ের প্রায় অর্ধেক শতাংশ মানুষের মধ্যে এই চিন্তা বর্তমান।
আরও পড়ুন:
দিন-রাত খাটেন মা, কষ্ট কমাতে অভিনব যন্ত্র বানাল কিশোরী, একসঙ্গে হবে আট কাজ
পুজোর পর ফের স্কুল খোলার কথা রাজধানীতে। সেখানে দাঁড়িয়ে শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে এক বড় প্রশ্ন চিহ্ন থেকেই যাচ্ছে। ৪০ শতাংশ দিল্লিবাসী স্কুল বাস ও ভ্যানে সিটবেল্ট না থাকার সংশয় প্রকাশ করেছেন। এছাড়াও গাড়ির গতি নিয়েও ২২ শতাংশ মানুষ সংশয় জানিয়েছেন।
শুধুমাত্র দিল্লি নয়, সিটবেল্ট সমস্যা সারা দেশেই আছে। সবথেকে বেশি এই সমস্যার কথা জানিয়েছেন বিজওয়ারার মানুষেরা। ৮৭ শতাংশ মানুষ এই সিটবেল্ট নিয়ে উদ্বিগ্ন। এরপরেই আছে কলকাতা (৭০%)। পাটনা ও জামসেদপুরের মানুষ কাছেও স্কুল গাড়িতে সিটবেল্ট না থাকার সমস্যা তুলে ধরেছেন। উল্লেখ্য, ২০১৯ সালেই সারা ভারতে ১১ হাজার ১৬৮ জন শিশুর মৃত্যু হয় দুর্ঘটনায়।
এমনকি এই সমীক্ষায় স্কুল গন্ডির মধ্যে নিরাপত্তার বিষয়টিও উঠে এসেছে। স্কুলের গন্ডির মধ্যে সাইক্লিং জোনের অভাবের কথা বলেছেন প্রায় ৫০ শতাংশ মানুষ। পাশাপাশি স্কুল লাগোয়া কোনো ফুটপাত না থাকারও অভিযোগ দেখা গেছে এই সমীক্ষায়।
সমীক্ষা চালানো এনজিও সিইও পীযুষ তিওয়ারি জানান, "শিক্ষার অধিকারের মতোই শিশুদের সুরক্ষাও অধিকারের মধ্যে পড়ে। কেন্দ্র ও রাজ্যে উচিৎ স্কুল পরিবহন নীতি নিশ্চিত করা। যাতে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে কোনও শিশুর মৃত্যু না হয়।"
পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা 'সুখপাঠ'