
শেষ আপডেট: 24 December 2022 09:44
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মথুরার শ্রীকৃষ্ণ জন্মভূমি ও শাহি ইদগাহ (Shahi Idgah Mosque) বিবাদে শনিবার বড় নির্দেশ দিল জেলা আদালত। এখানেও বারাণসীর জ্ঞানবাপী মজজিদ ক্যাম্পাসের মতো সমীক্ষা (Survey) হবে।
হিন্দু সেনা নামে একটি সংগঠনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আজ মথুরার (Mathura) সিনিয়র ডিভিশন আদালত এই আদেশ দেয়। আগামী ২০ জানুয়ারি আদালতে সমীক্ষার রিপোর্ট দাখিল করা হবে। ২ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে জরিপ।
মামলায় হিন্দু পক্ষ দাবি করে যে শাহি ইদগাহ মসজিদে হিন্দু মন্দিরের প্রতীক রয়েছে যা প্রমাণ করে মসজিদের নীচে দেবতার গর্ভগৃহ এবং মন্দিরের আরও নির্দশন রয়েছে। হিন্দু পক্ষের দুই আইনজীবী মনীশ যাদব এবং মহেন্দ্র প্রতাপ আদালতে বলেন, শাহি ইদগাহতে হিন্দু স্থাপত্যের প্রমাণ রয়েছে। বৈজ্ঞানিক জরিপে এগুলি সত্য প্রমাণিত হবে।
এক বছর আগে মথুরার জেলা আদালতে এই মর্মে আবেদন করা হয়েছিল। কাছাকাছি সময় বারাণসীর জ্ঞানবাপী মজজিদ চত্ত্বরে শৃঙ্গার গৌরী মূর্তিকে সারা বছর পূজার্চনার অনুমতি চেয়ে আবেদন করেন পাঁচ মহিলা। সেই মামলায় বারাণসীর আদালতের নির্দেশ হওয়া জরিপের সময় সেখানে থাকা জলাশয় থেকে একটি কালো পাথরের খণ্ড উদ্ধার হয়। হিন্দু পক্ষের দাবি সেটি শিবলিঙ্গ।
শাহি ইদগাহ মসজিদ মথুরা শহরের শ্রীকৃষ্ণ জন্মভূমি মন্দির কমপ্লেক্সের লাগায়ো। হিন্দুদের একাংশের দাবি, মসজিদের জমিটিই শ্রীকৃষ্ণের জন্মস্থান বা গর্ভগৃহ। আওরঙ্গজেব ১৬৬০-৭০ সাল নাগাদ শ্রী কৃষ্ণের জন্মস্থানে নির্মিত প্রাচীন কেশবনাথ মন্দিরটি ধ্বংস করে শাহি ইদগাহ মসজিদ নির্মাণ করেছিলেন বলে হিন্দু পক্ষের দাবি।
বারাণসী ও মথুরার এই মামলা ঘিরে দেশে ক্রমে ধর্মীয় মেরুকরণ এবং সাম্প্রদায়িক বিভাজনের ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে অনেকেরই আশঙ্কা। কারণ, দু’জায়গাতেই হিন্দু পক্ষ মসজিদ সরিয়ে নেওয়ার দাবি তুলতে শুরু করেছে। সব মিলিয়ে বারাণসী ও মথুরায় অযোধ্যার মন্দির-মসজিদ বিবাদের পুনরাবৃত্তির সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
সেনাবাহিনী থেকে অবসর, কর্মজীবনের শেষ স্যালুট নিজের মাকে! ভিডিও দেখে চোখে জল নেটিজেনদের