দ্য ওয়াল ব্যুরো : মহারাষ্ট্রে বিজেপির দেবেন্দ্র ফড়নবিশ ও এনসিপির অজিত পওয়ার শপথ নিয়েছেন শনিবার সকাল আটটায়। তার ঠিক ৪৫ মিনিট পরে টুইট করেন কংগ্রেসের মুখপাত্র অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি। তিনি লিখেছেন, শিবসেনার সঙ্গে এনসিপি ও কংগ্রেসের বোঝাপড়া হতে বড্ড বেশি সময় লেগেছে।
তিনি লিখেছেন, “প্রথমে ভেবেছিলাম, মহারাষ্ট্র নিয়ে যা শুনছি, তা ফেক নিউজ। খোলাখুলি বলছি, আমাদের তিন দলের সমঝোতা করতে তিন দিনের বেশি সময় নেওয়া উচিত হয়নি। আমরা বড্ড বেশি সময় নিয়েছি। যারা দ্রুত কাজ করতে পারে, তারাই সুযোগ পায়।”
পরে অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি লিখেছেন, ‘পওয়ারজি তুসসি গ্রেট হো।’ অর্থাৎ পওয়ারজি আপনি মহান। শরদ পওয়ার না অজিত পওয়ার, কাকে তিনি বোঝাতে চাইছেন, স্পষ্ট করে বলেননি। শরদ পওয়ারের ভাইপো অজিত পওয়ার বিজেপিকে সমর্থন করেছেন বলেই তারা সরকার গড়তে পেরেছে।
https://twitter.com/DrAMSinghvi/status/1198077556756377600
শুক্রবারি অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি সাংবাদিকদের বলেছিলেন, শিবসেনা, কংগ্রেস ও এনসিপি অভিন্ন ন্যূনতম কর্মসূচি বানানোর চেষ্টা করছে। কী শর্তে জোট হবে, তার ব্লু প্রিন্টও প্রায় তৈরি। শনিবার ‘মারাঠা স্ট্রংম্যান’ শরদ পওয়ার বলেন, অজিতের বিজেপিকে সমর্থন করার সিদ্ধান্ত ব্যক্তিগত। এনসিপি এই সিদ্ধান্ত নেয়নি।
একসময় মনে হচ্ছিল, শিবসেনা, এনসিপি আর কংগ্রেস মিলে মহারাষ্ট্রে সরকার গড়ে ফেলবে। কংগ্রেস ও এনসিপি পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শিবসেনা প্রধান উদ্ধব ঠাকরের নাম ঘোষণাও করে দিয়েছিল।
বেশ কয়েকদিন টালবাহানার পরে গত বুধবার শোনা যায়, শিবসেনার সঙ্গে এনসিপি ও কংগ্রেসের বোঝপড়া হয়ে গিয়েছে। শিবসেনা নেতা সঞ্জয় রাউত বলেছিলেন, কংগ্রেস ও এনসিপি বিধায়কদের সমর্থনের চিঠি শনিবার তুলে দেবেন রাজ্যপালের হাতে। অন্যদিকে বুধবারই শরদ পওয়ার দেখা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে।