শেষ আপডেট: 27 November 2019 07:54
দিন কয়েক আগেও দল ও পরিবারের চোখে তিনি ছিলেন বিদ্রোহী, ক্ষমতার অপব্যবহারকারী। এখন ক্ষমা চেয়ে দলে ফিরেছেন কাকিমা প্রতিভা পাওয়ার ও ভগ্নিপতি সদানন্দ সুলের মধ্যস্থতায়। এ দিন তিনি বিধায়ক হিসাবে শপথ নিতে যান মহারাষ্ট্র বিধানসভায়।
[caption id="attachment_162693" align="aligncenter" width="454"]
দাদা অজিত পাওয়ারকে প্রণাম বোন সুপ্রিয়া সুলের[/caption]
এদিন সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের উত্তরে পাওয়ার বলেন, “ফেরার কোনও ব্যাপারই নেই, আমি এনসিপিতে ছিলাম এবং এনসিপিতেই থাকব।” কংগ্রেস থেকে ভেঙে বেরিয়ে এনসিপি প্রতিষ্ঠা করেন মহারাষ্ট্রের নেতা শরদ পাওয়ার। তিনি যখন মহারাষ্ট্রে কংগ্রেসের মুখ্যমন্ত্রী হন, তখন থেকেই অজিত তাঁর সঙ্গে রয়েছেন।
অজিত এ দিন বলেন, “আমার এখন কিছুই বলার নেই, যথাসময়ে আমি বলব। আমি আগেও বলেছি যে আমি এনসিপিতে ছিলাম এবং এনসিপিতেই থাকব।”
এদিন বিধায়ক হিসাবে শপথ নিতে আসা মহারাষ্ট্রের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবীশকেও অভিনন্দন জানান সুপ্রিয়া সুলে। সুপ্রিয়া নিজে এখন বারামতীর সাংসদ।
[caption id="attachment_162692" align="aligncenter" width="600"]
বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবীশের সঙ্গে সুপ্রিয়া সুলে[/caption]
এনসিপি ও কংগ্রেসের সমর্থনে যখন মহারাষ্ট্রে শিবসেনার সরকার গড়া প্রায় চূড়ান্ত, ঠিক তখনই সকলকে অবাক করে দিয়ে মহারাষ্ট্রে মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেন দেবেন্দ্র ফড়ণবীশ, উপমুখ্যমন্ত্রী হন এনসিপির পরিষদীয় দলনেতা অজিত পাওয়ার। পরিষদীয় নেতা হিসাবে তিনি ৫৪জন বিধায়কের সম্মতিপত্র ও সইও জমা দেন। অভিযোগ, যে সই তিনি মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল ভগৎ সিং কোশিয়ারিকে জমা দেন, সেগুলি ওই বিধায়কদেরই সই, তবে তাঁরা সেই সই করেছিলেন শিবসেনার সমর্থনে।
তখন থেকেই মহারাষ্ট্রে শুরু হয় মহানাটক। তাতে শেষ হাসি হাসেন শরদ পাওয়ার। মহারাষ্ট্রে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিতে চলেছেন শিবসেনার সভাপতি উদ্ধব ঠাকরে। এই প্রথম ঠাকরে পরিবারের কেউ মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন। এর আগেও মহারাষ্ট্রের সরকারে শিবসেনা ছিল, শিবসেনা থেকে মুখ্যমন্ত্রীও হয়েছেন মনোহর যোশী ও নারায়ণ রানে। তবে শিবসেনার প্রতিষ্ঠাতা বালাসাহেব ঠাকরে নিজে বা তাঁর পরিবারের কেউ কখনও এই পদে বসেননি।