অযোধ্যা মামলার শুনানি শেষ এ সপ্তাহেই, আগাম সতর্কতা জেলা প্রশাসনে
দ্য ওয়াল ব্যুরো: অযোধ্যা বিবাদ সংক্রান্ত মামলার শুনানি শেষ করতে হবে ১৭ অক্টোবরের মধ্যে, দেশের প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈয়ের নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের বেঞ্চ এই নির্দেশ দিয়েছে। তার পরেই ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত অযোধ্যায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে প্রশাসন।
শেষ আপডেট: 14 October 2019 07:09
দ্য ওয়াল ব্যুরো: অযোধ্যা বিবাদ সংক্রান্ত মামলার শুনানি শেষ করতে হবে ১৭ অক্টোবরের মধ্যে, দেশের প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈয়ের নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের বেঞ্চ এই নির্দেশ দিয়েছে। তার পরেই ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত অযোধ্যায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে প্রশাসন। এর ফলে ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত কোনওরকম জমায়েত করা চলবে না। ৬ ডিসেম্বর অযোধ্যায় বিতর্কিত সৌধ ভাঙার বর্ষপূর্তি।
রাম জন্মভূমি-বাবরি মসজিদ মামলার সাম্প্রতিক নথি পোস্ট করে নিজের টুইট অ্যাকাউন্টে অযোধ্যার জেলাশাসক অনুজ কুমার ঝা জানিয়েছেন, কেন ১৪৪ ধারা জারি করেছে প্রশাসন।
https://twitter.com/anujias09/status/1183411913272639488
১৪৪ ধারা জারির পাশাপাশি নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বিনা অনুমতিতে চালকবিহীন কোনও উড়ান (ড্রোন) জেলায় প্রবেশ করতে পারবে না। কোনওরকম শব্দবাজি তৈরি ও বিক্রিতেও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে প্রশাসন। অর্থাৎ দীপাবলিতেও চলবে না শব্দবাজির ব্যবহার। একটি মত হল, দীপাবলিতেই অযোধ্যায় ফিরেছিলেন রামচন্দ্র। তাই এই দিনের বিশেষ তাৎপর্য আছে অযোধ্যায়।
এক সপ্তাহ পুজাবকাশের পরে আদালত খুলেছে সোমবার। ১৭ নভেম্বর প্রধান বিচারপতি পদ থেকে অবসর নেবেন রঞ্জন গগৈ। সম্ভবত তার আগেই এই মামলার নিষ্পত্তি তিনি চাইছেন। প্রধান বিচারপতি ছাড়াও এই সাংবিধানিক বেঞ্চে আছেন বিচারপতি এসএ ববড়ে, ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়, অশোক ভূষণ এবং এস আব্দুল নাজির। ২০১০ সালে এলাহাবাদ হাইকোর্ট যে রায় দিয়েছিল, তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আদালতে আবেদন করা হয়েছে। তারই শুনানি চলছে সাংবিধানিক বেঞ্চে।
অযোধ্যার বিতর্কিত যে সৌধ ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর ধ্বংস হয়েছিল করসেবকদের উন্মত্ত আক্রমণে, সেই সৌধের জমি সমেত মোট ২.৭৭ একর জমি নির্মোহী আখড়া, সুন্নি সেন্ট্রাল ওয়াকফ বোর্ড, উত্তরপ্রদেশ ও রামলালা বিরাজমানের মধ্যে ভাগ করে দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল এলাহাবাদ হাইকোর্টের রায়ে।
ইতিমধ্যেই আলোচনার মাধ্যমে নিষ্পত্তির প্রস্তাব ফিরিয়েছে রামলালা বিরাজমান। এ ব্যাপারে সৌজন্য দেখাতে রাজি নয় মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ডও।
দীর্ঘদিন ধরেই বিজেপির অ্যাজেন্ডায় রয়েছে অযোধ্যার ওই জমিতেই মন্দির তৈরি করা। এ বছর লোকসভা ভোটের আগে কয়েকজন নেতা হুঙ্কারও দিয়েছিলেন “মন্দির ওঁহি বনায়েঙ্গে” বলে।
https://www.four.suk.1wp.in/pujomagazine2019/%e0%a6%b9%e0%a7%9f%e0%a6%a4%e0%a7%8b-%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%87-%e0%a6%9b%e0%a7%8b%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%96/