Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

বিলকিস বানো গণধর্ষণ মামলায় ১১ অপরাধীর মুক্তি নিয়ে চূড়ান্ত শুনানি, দিনক্ষণ জানাল সুপ্রিম কোর্ট

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিলকিস বানো (Bilkis Bano Case) গণধর্ষণ মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত ১১ জন আসামিকে সাজার মেয়াদ ফুরনোর আগেই মুক্তি দেওয়া নিয়ে চূড়ান্ত শুনানি হবে আগামী ৭ অগস্ট। বিলকিস বানোর ধর্ষক ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের খুনের অপরাধে জড়িত

বিলকিস বানো গণধর্ষণ মামলায় ১১ অপরাধীর মুক্তি নিয়ে চূড়ান্ত শুনানি, দিনক্ষণ জানাল সুপ্রিম কোর্ট

শেষ আপডেট: 18 July 2023 02:31

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিলকিস বানো (Bilkis Bano Case) গণধর্ষণ মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত ১১ জন আসামিকে সাজার মেয়াদ ফুরনোর আগেই মুক্তি দেওয়া নিয়ে চূড়ান্ত শুনানি হবে আগামী ৭ অগস্ট। বিলকিস বানোর ধর্ষক ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের খুনের অপরাধে জড়িত আসামিদের মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে মামলা দায়ের হয়েছিল সুপ্রিম কোর্টে। সেই মামলা ওঠে বিচারপতি বিচারপতি নাগরত্ন এবং বিচারপতি উজ্জ্বল ভুইয়াঁর বেঞ্চে। সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, মেয়াদ শেষের আগেই অপরাধীদের মুক্তি দেওয়া হবে কিনা তার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

গত ১৫ অগস্ট স্বাধীনতা অমৃত মহোৎসবের আগে বিলকিসকে ধর্ষণ ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের (Bilkis Bano Case) খুনের দোষীদের মুক্তির সিদ্ধান্ত সুপ্রিম কোর্টকে জানিয়েছিল গুজরাত। এর পর আদালতের সম্মতিতে তাদের মুক্তি দেওয়া হয়। সরকারি তরফে জানানো হয়, জেলে ওই ১১ অপরাধীর ব্যবহার দেখেই তাদের মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এই যুক্তি মানতে নারাজ ছিলেন অনেকে। এই পরিস্থিতিতে কী কী মানদণ্ড বিবেচনা করে ওই ১১ অপরাধীকে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল, তথ্যের অধিকার আইনে তা জানতে চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু মুক্তির সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী প্যানেলের বৈঠকের আলোচ্য বিষয় নিয়ে তথ্য দিতে চায়নি গুজরাত সরকার। তাই শীর্ষ আদালতে পাল্টা মামলা দায়ের হয়।

ধর্ষকদের মুক্তিকে চ্যালেঞ্জ করে এরপর আইনি পথে হাঁটেন বিলকিস বানো (Bilkis Bano Case)। চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শীর্ষ আদালতে দ্বারস্থ হন তিনি। গত মার্চ মাসে মামলার শুনানিতে ধর্ষকদের মুক্তি সংক্রান্ত কাগজপত্র শীর্ষ আদালতে জমা দওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি কেএম জোসেফ এবং বিচারপতি বিভি নাগরত্নার বেঞ্চ।

প্রসঙ্গত, ২০০২ সালে গোধরা-কাণ্ডের পর গুজরাতে সাম্প্রদায়িক হিংসা চলাকালীন, ৩ মে দাহোড় জেলার দেবগড় বারিয়া গ্রামে ভয়াবহ হামলা চালানো হয়। গ্রামের বাসিন্দা পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা বিলকিসকে গণধর্ষণ করা হয়। বিলকিসের চোখের সামনেই তাঁর ৩ বছরের মেয়েকে নৃশংসভাবে খুন করে অপরাধীরা। এই অপরাধকে ‘বিরল থেকে বিরলতম’ বলেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। মুম্বইয়ের সিবিআই আদালতে অপরাধীদের কঠোর সাজা দেওয়ার আর্জিও জানানো হয়েছিল। ২০০৮ সালের ২১ জানুয়ারি মোট ১২ জনের বিরুদ্ধে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দিয়েছিল ওই বিশেষ আদালত। মামলা চলাকালীন ১ জনের মৃত্যু হয়। বাকি ১১ জন ধর্ষক ও খুনি মুক্তি পায়।

বিলকিস বানো গণধর্ষণ মামলায় ১১ অপরাধীর মুক্তি নিয়ে চূড়ান্ত শুনানি, দিনক্ষণ জানাল সুপ্রিম কোর্ট


```