
বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য।
শেষ আপডেট: 25 April 2025 18:07
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সুপার নিউমোরিক পোস্ট (Super Numeric Post) নিয়ে বৃহস্পতিবার রাজ্যের থেকে লিখিত তথ্য তলব করেছে কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। আর তারপরই এই মামলায় মামলাকারীদের আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যর চেম্বার ঘেরাও করে অবস্থানে বসলেন শারীর শিক্ষা এবং কর্মশিক্ষার একাংশ শিক্ষক।
যার জেরে এদিন বিকেল থেকে হাইকোর্ট চত্বরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে পুলিশও।
সূত্রের খবর, রাজ্যের তৈরি সুপার নিউমোরিক পোস্টের দৌলতেই এরা চাকরি পেয়েছিলেন। তাঁদের অভিযোগ, "বিকাশবাবুর মতো একাংশ আইনজীবী কথায় কথায় আদালতের দ্বারস্থ হয়ে একাংশ শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর চাকরি খেতে উঠে পড়ে লেগেছেন।" এরই প্রতিবাদ জানাতে এই বিক্ষোভ কর্মসূচি।
বিকেল পাঁচটা থেকে শুরু হয়েছে এই বিক্ষোভ। বিকাশবাবুর চেম্বারের বাইরে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন সংশ্লিষ্ট শিক্ষকরা। যদিও এ ব্যাপারে বিকাশবাবুর কোনও প্রতিক্রিয়া এখনও জানা যায়নি। প্রতিক্রিয়া এলে প্রতিবেদনে আপডেট করা হবে।
এদিনই বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু রাজ্যকে নির্দেশ দিয়েছেন, সুপার নিউমোরিক পোস্ট কেন তৈরি হয়েছে তা লিখিত আকারে জানাতে হবে আদালতকে। আগামী ৬ মে এই মামলার পরবর্তী শুনানি। তারপরই নতুন করে চাকরি হারানোর আতঙ্ক তৈরি হয়েছে সুপার নিউমোরিক পোস্টের দৌলতে চাকরিপাওয়া শিক্ষকদের মধ্যে।
এদিন আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যর চেম্বারের সামনে 'চোর', 'চোর' স্লোগানও দিতে থাকেন তাঁরা। সূত্রের খবর, বিকাশবাবু চেম্বার নেই।
শারীর শিক্ষা এবং কর্মশিক্ষার বিষয়ে অতিরিক্ত শূন্যপদ তৈরি নিয়ে বেনিয়মের অভিযোগে মামলা গড়িয়েছিল হাইকোর্টে। ওই মামলায় এদিন রাজ্যের স্পষ্ট বক্তব্য জানতে চেযেছে। এদিন মামলার শুনানিতে হাইকোর্টের বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুর পর্যবেক্ষণ, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মতো সিবিআই তদন্ত হচ্ছে না, ঠিক আছে। কিন্তু অতিরিক্ত শূন্যপদ তৈরির যে সিদ্ধান্ত, সেটা কাদের জন্য? মৌখিক নয়, লিখিতভাবে রাজ্যকে কারণ জানাতে বলেছে আদালত।